1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর শততম জন্মবার্ষিকী । কেশবপুরে আনসার-ভিডিপি’র সদস্যারা স্বেচ্ছাশ্রমে দরিদ্র কৃষকেের পাকা পাট কেটে দিলেন। কেশবপুরের সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের উদ্বোধন। কেশবপুরে সমাধান এর ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। সাগরদাঁড়িতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সংবর্ধনা। বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের কোপে শ্বশুর নিহত, থানায় আত্মসমর্পণ। কেশবপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকন-এঁর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। কেশবপুরে শাহেদা-জবেদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে জার্সি বিতরণ। কেশবপুরে চারুপীঠের শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র বিতরণ।

খোলাবোনা ফুরকানীয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা কে আলিম মাদ্রাসায় রুপান্তরিত করতে দিশেহারা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ২১২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধীঃ

খোলাবোনা ফোরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালিত হয় কওমি মাদ্রাসার বোর্ড এর অধীনে।

 

খোলাবোনা এলাকায় পাশাপাশি দুটি মাদ্রাসা। একটির নাম খোলাবোনা ফোরকানিয়া ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা। আরেকটি খোলাবোনা দাখিল / আলিম মাদ্রাসা। দুইটি ভিন্ন মাদ্রাসা,ভিন্ন দুইটি কতৃপক্ষের আওতাধীন এবং দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সীমানা প্রাচীর বিদ্যমান আছে।

 

দাখিল/আলিম মাদ্রাসা’র ভবন নির্মাণের পিলার তোলা হয়েছে সেটা আসলে কবরস্থান। এখানে মুক্তিযোদ্ধা ও তার তিন ভাইয়ের কবর রয়েছে। তারা হলেন- আনারুল ইসলাম(মুক্তিযোদ্ধা), আসাদ আলী ও শাহজাহান আলী। জমিটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তি। কোনো প্রকার দলিল ছাড়া গোরস্থানের জমি ফোরকানিয়া মাদ্রাসার নামে রেকর্ড হয়ে আছে। বর্তমানে রেকর্ড কারেকশনের মামলা চলমান।এই জন্য ঐ জমিতে ফোরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা কোন দিন কোনপ্রকার কার্যক্রম পরিচালনা করেনি। তবে দাখিল/আলিম মাদ্রাসার চক্রান্ত থেমে নেই।

 

ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের

সদস্যরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করে কোন প্রকার বিচার পাইনি।

 

 

কিন্তু জমিটি জোর করে দখলে নিতে কবরস্থানের ওপরেই ভবন নির্মাণের কাজ করে এসেছে আলিম/দাখিল মাদ্রাসা। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য গণ

০.২০ একর জমি হাফিজিয়া মাদ্রাসা’র নামে দান করায় প্রতিপক্ষ দাখিল/আলিম মাদ্রাসা ক্ষিপ্ত হয়ে গোরস্থানের জমি সহ দানকৃত

জমিটি জোর করে দখল নিতে প্রতিষ্ঠানের প্রচীর ভাঙ্গার পরিকল্পনা সহ গ্রাম্য রাজনীতি ও পেশীশক্তির সহায়তায়ই দিশেহারা ভূমিদস্যুরা।

 

আর দাখিল-আলিম পরিচালিত হয় মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড থেকে এবং খোলাবোনা ফুরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা “জমীরিয়া তা’লীম ও তাজকিয়া বোর্ড, চট্টগ্রাম” এর আওতাধীন। দুটি ভিন্ন মাদ্রাসা। আইন অনুযায়ীএকটি কখনো আরেকটির অংশ হতে পারে না। ফোরকানিয়া মাদ্রাসার আরও সম্পত্তির দখল নিতে আলিম মাদ্রাসা ফোরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা’র নিজ নামীয় দলিলের ০.৭০একর সম্পত্তি দাখিল ও হিফজুল কোরআন নামে জালিয়াতি করে খারিজ করে প্রস্তাবিত খতিয়ান-৬৪০ ব্যাবহার করে তাদের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন প্রাপ্তিতে মাদ্রাসা বোর্ড এর নিকট পেশ করে। পরবর্তীতে ফোরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা’র আবেদনের প্রেক্ষিতে পবা, রাজশাহী এসি ল্যান্ড অফিস প্রস্তাবিত খতিয়ান-৬৪০ বাতিল ঘোষণা করে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের নামে দলিল অনুযায়ী প্রস্তাবিত খতিয়ান ১০২২ও১০২৩ পাশ করেন। বর্তমানে ফোরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা উক্ত জমিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। তারপরেও দাখিল/আলিম মাদ্রাসার কমিটি ও প্রধান শিক্ষক দুইটি ভিন্ন মাদ্রসাকে একই প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় কুচক্রীদের সহায়তায় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT