1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গঙ্গানন্দপুর ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপকের বিদায় সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠান। খুমেক থেকে চুরি হওয়া ডিজিটাল হাজিরা মেশিন উদ্ধার। কয়রায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে ঔষধ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা । কেশবপুরে ঝুঁকিপূর্ন ভবনে পাঠদান, ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা। বিলাইছড়িতে পশু জবাই ও কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ। বিলাইছড়িতে কৃষি অফিস কর্তৃক GAP ও কফি- কাজুবাদাম  বিষয়ে  প্রশিক্ষণ শুরু। বিলাইছড়িতে ধান কাটতে ব্যস্ত কৃষকেরা।। ঘরে তুলতে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সময় লাগবে।। ৮০% পাকলে কাটার পরামর্শ কৃষি অফিসের। কেশবপুর ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের অভিযান,৭ ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড। কেশবপুরে শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে হরিনাম সংকীর্তন ওযজ্ঞানুষ্ঠান সমাপ্ত। ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষকদের প্রেস বিবৃতি।

কেশবপুরে ঝুঁকিপূর্ন ভবনে পাঠদান, ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি।

যশোরের কেশবপুরের মহাদেবপুর রেজাকাটী বগা সেনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টির ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পড়েছে। যেকোনো মূহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা। প্রায় অর্ধশত বছর ধরে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বিস্তারে গৌরবময় ভূমিকা ও ঐতিহ্য বহন করে আসছে বিদ্যালয়টি। শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে এ প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক, কর্মচারী ও কক্ষ সংকটসহ নানান কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে বারবার উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হলেও অদ্যবধি কোনো সাহায্য মেলেনি প্রতিষ্ঠানটির।
বিদ্যালয়ের অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামে ইং ১৯৮৫ সালে এলাকাবাসীর শিক্ষানুরাগীদের সহযোগিতায় এক একর ৫১ শতক জমির ওপর মহাদেবপুর রেজাকাটী বগা সেনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। ১৯৮৬ সালে বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়ে সুনামের সাথে শিক্ষা কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বিদ্যালয়টিতে ১০ জন শিক্ষক রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার সময় ৩ রুম বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে এর পাশে ইটের গাথূনির টিনের ছাউনির ৪ রুম বিশিষ্ট আরো একটি ঘর নির্মাণ করা হয়। অর্থাভাবে পুনঃসংস্কার না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির পুরাতন ভবনের দেয়াল ও ছাদ ধসে পড়ছে। টিনের ছাউনির রুমগুলোর টিন নষ্ট হয়ে গেছে। সামন্য বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে। এতে জানালা, দরজা, আসবাবপত্র জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ছোট ছোট রুম, স্যাঁতসেতে মেঝের শ্রেণি কক্ষে চলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। এর ফলে শিক্ষার্থীরা অমনযোগি হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের কর্মচারী আবুল হোসেন জানান, বিদ্যালয়টির কক্ষগুলো জরাজীর্ণ। ৩ রুম বিশিষ্ট ভবনটির ছাদ ও পলেস্টার ধসে পড়ছে। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ কারণে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলে যাচ্ছে। আর যারা আছে তারা ভয়ে ভয়ে ক্লাস করছে। বিজ্ঞান বিভাগ থাকলেও নেই কোন বিজ্ঞানাগার, নেই মেয়েদের জন্য কমন রুম। নতুন ভবন না থাকায় বাধ্য হয়ে পুরাতন ঘরের ঝুঁকিপূর্ন কক্ষে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদন জানান।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার জানান, অর্থাভাবে পুনঃসংস্কার না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির পুরাতন ছাদের ভবনটির দেয়াল ও ছাদের কয়েক জায়গা থেকে ধসে পড়েছে। টিনের ছাউনির রুমগুলোর টিন নষ্ট হয়ে গেছে। দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতে ছাদ দিয়ে পানি পড়ায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, মূল্যবান বই, আসবাবপত্র, কাপড় চোপড় ভিজে ক্ষতি হয়। এ ছাড়া শিক্ষক , কর্মচারী ও কক্ষ সংকটসহ নানান কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা অমনোযোগি হয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেখ ফিরোজ আহমেদ বলেন, ওই বিদ্যালয়ের ঝুকিপূর্ন ভবনের কথা ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সরকারি অনুদান ছাড়া এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।
ছবিঃ
১৮/০৫/২৬

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT