1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর শততম জন্মবার্ষিকী । কেশবপুরে আনসার-ভিডিপি’র সদস্যারা স্বেচ্ছাশ্রমে দরিদ্র কৃষকেের পাকা পাট কেটে দিলেন। কেশবপুরের সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের উদ্বোধন। কেশবপুরে সমাধান এর ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। সাগরদাঁড়িতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সংবর্ধনা। বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের কোপে শ্বশুর নিহত, থানায় আত্মসমর্পণ। কেশবপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকন-এঁর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। কেশবপুরে শাহেদা-জবেদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে জার্সি বিতরণ। কেশবপুরে চারুপীঠের শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র বিতরণ।

কলকাতা পুলিশ হারিয়ে যাওয়া মেয়েকে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দিলেন।।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২২২ বার পঠিত

কোলকাতা থেকে মনোয়ার ইমাম।

পশ্চিম বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বারুইপুর জেলা পুলিশের অধীনে মল্লিকপুর এলাকার বাসিন্দা এক ইস্কুল ছাত্রী তিনি তার বাবার সাথে কলকাতার বই পাড়া কলেজ স্ট্রিট তে যান বই কেনাকাটা করতে। হঠাৎ করে তার বাবার কাছ থেকে তিনি ভীড়ের মধ্যে আলাদা হয়ে পড়ে। তার বাবা তার মেয়েকে দেখতে না পেয়ে চিহ্নিত হয়ে পড়ে। এমন সময় তিনি বড়বাজার থানাতে গিয়ে সব খুলে বলেন, তখন বড়বাজার থানার ডিউটিরত ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট শ্রী সুদিপ কুমার তিনি সব ট্রাফিক পুলিশ কে মেয়ে হারিয়ে যাওয়ার ম্যাসেজ দেন। এবং মেয়েটির বাবাকে আশস্ত করেন যে তার মেয়েকে ফিরে পেতে সব ধরনের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। এবং মেয়েটির বাবাকে চা ও জলের বোতল দেওয়া হয়। এবং তার মেয়ে যে লাল প্রিন্টের জামা কাপড় পরে ছিল তা জানিয়ে দেওয়া হয় সব ট্রাফিক পুলিশ কে। কিছুক্ষণ পর ঔ মেয়েকে দেখতে পাওয়া যায় হাওড়া ব্রিজের কাছে ঘরাঘুরি করতে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় হাওড়া ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট শ্রী সুদিপ কুমার কে তিনি গিয়ে ঔ মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে তার বাবার কাছে পৌঁছে দেন। তার বাবাকে কাছে পেয়ে আনন্দে তার দুই চোখে জল এসে যায়। কারণ তার মেয়ের কাছে কলকাতা শহর ছিল অচেনা ও অজানা। এই মানবিক কাজ করার জন্য মেয়েটির বাবা কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট শ্রী সুদিপ কুমার ও কলকাতা পুলিশ কে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT