1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ। জনদুর্ভোগের কথা শুনলেন মেয়র পদপ্রার্থী, নির্বাচিত হলে উন্নয়নের আশ্বাসদেন ইমদাদুল হক ইমদাদ।

ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে ছাইয়ের নিচে তলিয়ে গেছে অন্তত ১১টি গ্রাম

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৭৩৮ বার পঠিত

ইন্দোনেশিয়র জাভা দ্বীপে মাউন্ট সেমেরু আগ্নেয়গিরি থেকে শনিবার শুরু হওয়া অগ্ন্যুৎপাতে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৩জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছে বলে দেশটির আপদকালীন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

মাউন্ট সেমেরুর অগ্ন্যুৎপাত থেকে সৃষ্ট বিশাল ছাইয়ের স্তুপের নিচে পুরো তলিয়ে গেছে বেশ কিছু গ্রাম।

আগ্নেয়গিরির ছাই বাড়িঘরের ছাদ পর্যন্ত ঢেকে দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন ঘন ধোঁয়ার মেঘ সূর্যকে সম্পূর্ণ ঢেকে দেয়ায় দিনের বেলাতেও আকাশ রাতের মত ঘন অন্ধকার হয়ে আছে।

কর্মকর্তারা বলছেন অন্তত ৫৭ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত হয়েছে, এদের মধ্যে অনেকে গুরুতরভাবে পুড়ে গেছে।

ইন্দোনেশিয়ার বিপর্যয় মোকাবেলা সংস্থা বিএনপিবি বলছে অগ্নিদগ্ধদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এগারোটি গ্রাম ছাইয়ের তলায়

অগ্ন্যুৎপাতে লুমাজাং প্রদেশের অন্তত ১১টি গ্রাম ছাইয়ের নিচে সম্পূর্ণ চাপা পড়েছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানো গ্রামবাসীদের অনেকেই মসজিদ এবং অস্থায়ী কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

বিএনপিবির কর্মকর্তারা বলছেন এলাকা থেকে এ যাবত ন’শয়ের ওপর মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

কিন্তু উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে দম বন্ধ করা ধোঁয়া আর বিদ্যুত সংযোগ পুরো বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে। এছাড়াও অগ্ন্যুৎপাতের পর ঝড়বৃষ্টিতে আগ্নেয়গিরির লাভা ও ধ্বংসাবশেষ মিশে কাদায় পরিণত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় একজন কর্মকর্তা তরিকুল হক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন ওই এলাকার সঙ্গে নিকটবর্তী মালাং শহরের সড়ক ও সেতু যোগাযোগও অগ্ন্যুৎপাতের ফলে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

“খুব দ্রুত পরিস্থিতি খারাপ হয়ে গেছে,” বলেন তিনি।

ছাইয়ে চাপা পড়া ভবনগুলোতে আটকে পড়া দশজনকে ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে বলে বিএনপিবি জানাচ্ছে।

জরুরিকালীন কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় মিডিয়াগুলো আকাশ ঢেকে ফেলা বিশাল ছাইয়ের মেঘ থেকে প্রাণ বাঁচাতে এলাকার মানুষদের ছুটে পালানোর ভিডিও শেয়ার করেছে সামাজিক মাধ্যমে।

এই অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয় শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর প্রায় আড়াইটা নাগাদ। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে তিন মাইল (পাঁচ কিলোমিটার) পর্যন্ত এলাকায় কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না।

এয়ারলাইন্সগুলোকে সতর্ক থাকার পরামর্শ

অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে ভলক্যানিক অ্যাশ অ্যাডভাইজরি সেন্টার বলছে আগ্নেয়গিরির ছাই জ্বালামুখ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এখন ভারত মহাসাগরের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে।

এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে আগ্নেয়গিরির ছাই-এর সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে এয়ারলাইন্সগুলোকে সতর্ক করা হয়।

এয়ারলাইন্সগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে এই ছাই ১৫ হাজার মিটার (৫০ হাজার ফুট) উঁচু পর্যন্ত উঠতে পারে।

সেখানকার একজন কর্মকর্তা ক্যাম্পবেল বিগস্ বিবিসিকে বলেছেন, বেশিরভাগ বিমান যে উচ্চতায় ক্রুজ করে, সেমেরু আগ্নেয়গিরির ছাই তার চেয়েও উপরে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, এই ছাইয়ের মেঘ এড়াতে এয়ারলাইন্সগেুলোকে তাদের যাত্রাপথ পরিবর্তন করতে হবে।

বিমানের ইঞ্জিনের ঠাণ্ডা অংশে এই ছাই ঢুকলে তা জমাট বেধে যায় এবং তাতে বাতাস চলাচল ব্যাহত হয়ে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়াও ছাই-এর কারণে পাইলটরা স্পষ্ট দেখতে পায় না এবং বিমানের ভেতরে বাতাসের মান খারাপ হয়ে যেতে পারে। তখন অক্সিজেন মাস্ক পরা অপরিহার্য হয়ে উঠতে পারে।

জীবন্ত সেমেরু আগ্নেয়গিরি

মাউন্ট সেমেরু আগ্নেয়গিরি থেকে নিয়মিতভাবেই অগ্ন্যুৎপাত হয় এবং প্রায়শই এই আগ্নেয়গিরি থেকে ৪,৩০০ মিটার উঁচু পর্যন্ত ছাই নির্গত হয়। সেই হিসাবে শনিবারের অগ্ন্যুৎপাত অনেক শক্তিশালী বলে বলছেন অস্ট্রেলিয়ান সংস্থার অগ্ন্যুৎপাত বিশেষজ্ঞ মি. বিগস্।

তিনি বলছেন এই ছাইয়ের মেঘ ধীরে ধীরে বাতাসে মিশে চলে যাবে।

ইন্দোনেশিয়ার ১৩০টি জীবন্ত আগ্নেয়গিরির একটি হল মাউন্ট সেমেরু। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩,৬৭৬ মিটার উপরে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরেও এই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে বাসিন্দাদের আশ্রয় শিবিরে যেতে হয়েছিল।

প্রশান্ত মহাসাগরে ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান “রিং অফ ফায়ার” নামে প্লেটের ওপর। ভূগর্ভস্থ এই সংযোগস্থলে প্রায়ই অগ্ন্যুতপাত ও ভূকম্পন সৃষ্টিকারী প্রাকৃতিক কার্যকলাপ তৈরি হয়। সূত্র: বিবিসি বাংলা

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT