১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

হবিগঞ্জ জেলার আট উপজেলার নির্বাচনে নৌকা-৪,বিদ্রোহী-৩ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী-২ জয়ী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলার আট উপজেলার চেয়ারম্যান পদে চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী, তিনটিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী এবং বাকি দু’টিতে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

রোববার (১০ মার্চ) রাত ১০টায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও রিটার্নিং অফিসার ফজলুল জাহিদ পাভেল বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলা , আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোতাচ্ছিরুল ইসলাম আনারস প্রতীকে ৩৫ হাজার ২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ আহমদুল হক পেয়েছেন ২৮ হাজার ৪০ ভোট।

লাখাই উপজেলা, আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ নৌকা প্রতীকে ৩০ হাজার ৬২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহফুজুল আলম মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৯৮ ভোট।

নবীগঞ্জ উপজেলা, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল হক সেলিম ঘোড়া প্রতীকে ৪৭ হাজার ২০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী পেয়েছেন ২৬ হাজার ১১৩ ভোট।

বাহুবল উপজেলা, এ উপজেলায় ২৩ হাজার ৪৮৩ ভোট ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ খলিলুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল হাই নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৬০৬ ভোট।

বানিয়াচং উপজেলা, নৌকা প্রতীকে ৫৯ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল কাশেম চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ইকবাল হোসেন খান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪৩ হাজার ২৪২ ভোট।

আজমিরীগঞ্জ উপজেলা, এ উপজেলায় আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী মর্তুজা হাসান নৌকা প্রতীকে ২২ হাজার ৮১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীক নিয়ে আলাউদ্দিন পেয়েছেন ২০ হাজার ৫৬২ ভোট।

চুনারুঘাট উপজেলা, এ উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল কাদির লস্কর নৌকা প্রতীকে ৩৭ হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আবু তাহের আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৭০ ভোট।

মাধবপুর উপজেলা, স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মো. শাহজাহান ঘোড়া প্রতীকে ৫৬ হাজার ৭৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এহতেশামুল বর পেয়েছেন ২৬ হাজার ৮৬৯ ভোট।

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ফজলুল জাহিদ পাভেল বলেন, জেলার আট উপজেলা পরিষদে মোট ৬১৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা করা হয়। মোট ভোটার ১৩ লাখ ৮১ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৫১০ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০।

সর্বমোট প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ১০৫ প্রার্থী। এর মাঝে চেয়ারম্যান পদে ২৭, ভাইস চেয়ারম্যান ৪৫ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩২ জন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি