২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহ কেশবপুরে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সেলিম রেজা,
কেশবপুর,
যশোর।

মৌমাছি, মৌমাছি কোথা যাও নাচি নাচি।
ছোটবেলার সেই কবিতা মুখস্ত করবার মত দৃশ্য আজ চোখের সামনে। সকাল থেকে মৌমাছি কর্মব্যস্তায় শুধু ছুটা ছুটি, এক সরিষা ফুল থেকে আরেক সরিষা ফুলে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে আর মধু সংগ্রহ করছে।
প্রকৃতির কি অপরূপ খেলা, কেশবপুরের প্রতাপপুর বাজারের সন্নিকটে সরিষা ক্ষেতে সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ থেকে আগত মৌয়ালেরা ১৭৫টি মৌমাছি বাক্স মধু সংগ্রহের জন্য বসিয়েছে। ১৪ দিন অবস্থান করবার পর আজ মধু সংগ্রহ করেছে। ১৭৫ টি বাক্সের মধ্যেও খুব কমই মধু উৎপন্ন হয় কারণ এখানে অনেক সরিষা ফুলের অভাব।
মধু সংগ্রহকারীদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম মধু উৎপন্ন হয় । মৌমাছি পালনকারীদের প্রত্যাশা ছিল ১৫ মন । সেখানে উৎপন্ন হয়েছে পাঁচ মন । যার বাজার মূল্য ৬০০০০ টাকা আনুমানিক ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলে। স্থানীয় লোকজন মধু ক্রয় করবার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের সামনেই একজন ক্রেতা একমন মধু ক্রয় করে নিয়ে যায় ৩৫০ টাকা কেজি দরে। মধু ক্রয় করতে এসেছিল কেশবপুর মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব স্যার। উনার সাথে কথা বলে জানা গিয়েছে মধু খুবই ভাল ও খাঁটি যার ফলে উনি খুবই খুশি । উনাকে একফাকে মৌয়ালের ছবি তুলেতে দেখা যায় দূরে দাঁড়িয়ে।
তিনজন মৌয়াল মুখে প্রোটেকশন ব্যবহার করে এক বাক্স থেকে আরেক বাক্স মধু সংগ্রহ করছে। মধু সংগ্রহকারী তিনজন হচ্ছেন মোঃ আব্দুস সাত্তার, মোঃ আল আমিন এবং মোঃ শফিকুল ইসলাম । আজ দুপুরের পর মৌয়ালেরা মধু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সিরাজগঞ্জ রওনা দিবেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি