১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলছে-শিক্ষা মন্ত্রী দিপু মনি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিলেট প্রতিনিধি : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘শিক্ষার হার যেখানে শেখ হাসিনার সরকার ২০০১ সালে রেখে গিয়েছিলেন ৬৮ ভাগে, ২০০৯ সালে আমরা ফিরে এসে পেয়েছি ৪৫ ভাগে। ৫ বছরে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গেলেও ৭ বছর পর ফিরে এসে দেখলাম আবারও সেই খাদ্য ঘাটতি। অর্থাৎ শেখ হাসিনা দেশেকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, পরে যারা এসছেন তারা দেশেকে পিছিয়ে নিয়েছেন।’

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছেন। আমি বাংলাদেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই বার বার আওয়ামী লীগকে জয়ী করে দায়ীত্ব দিয়েছেন দেশে পরিচালনার। তাই আজ দেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলছে। আজ সারা বিশ্বের মানুষ অবাক হয়ে বলে কি করে বাংলাদেশে এতো উন্নয়ন হচ্ছে? এতো জনসংখ্যা নিয়ে কিভাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে?’

রবিবার দুপুরে ওসমানীনগর উপজেলার ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ে বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর এডুকেশন ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি উপরোক্ত কথা বলেন।

ট্রাস্টের চেয়ারপার্সন রবিন পালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমান।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ‘আজ প্রতিটা মানুষের পেটে ভাত আছে, গায়ে আছে কাপড়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ আছে, হাতে আছে মোবাইল ফোন। রাস্থা ঘাটের যে পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে এখন গ্রামের ঘর পর্যন্তও গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ সামাদ চৌধুরী কয়েছ, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান, হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ মিলাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সমাজসেবক নাছির উদ্দিন খান, জেলা পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন পিপিএম।

উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তাহমিনা আক্তার, ওসমানীনগর সার্কেল রফিকুল ইসলাম, বালাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মুস্তাকুর রহমান মওফুর, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দাল মিয়া, ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমান, সাবেক সভাপতি কবির উদ্দিন, বর্তমান সহ সভাপতি আব্দাল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান চৌধূরী নাজলু, যুগ্ন্ সম্পাদক অনোরুদয় পাল ঝলক, সাংগঠানিক সম্পাদক আনা মিয়া, বালাগঞ্জ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আনহার মিয়া, জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ, ওসমানীনগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক চঞ্চল পাল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল লেইচ প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি