১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

শান্তির পক্ষে অঙ্গীকারবদ্ধ দেশের প্রধান দলগুলোর শীর্ষ নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শান্তির পক্ষে অঙ্গীকারবদ্ধ দেশের প্রধান দলগুলোর শীর্ষ নেতার।
!!জসিম মাহমুদ!!
আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ‘শান্তিতে বিজয়’ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তারা রাজনীতিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজার রাখার পক্ষে অভিমত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে স্ব স্ব দলের পক্ষে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বুধবার রাজধানীতে একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষে বক্তব্য দেন দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. মইন খান, জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, মাসুদা রশীদ চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘এবার সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, সেটা গর্বের ও খুশির খবর। সবাই মিলে আগামী নির্বাচন মান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে হবে। গণতন্ত্রকে মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে। কেননা গণতান্ত্রিক রাজনীতির লড়াই আর শান্তি প্রতিষ্ঠার লড়াইকে আলাদা করা যাবে না।’ তিনি মুক্তিযুদ্ধেও চেতনায় দেশ গড়তে সবাইকে স্বোচ্ছার থাকার আহ্বান জানান।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মইন খান বলেন, ‘আমরা কবরে গিয়ে নয়, বেঁচে থাকতেই শান্তি চাই। সবসময় শান্তি চাই। ভোটকেন্দ্রে শান্তি চাই, রাজনীতিতে শান্তি।’ তার দল শান্তি প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট তাকবে বলেও তিনি অঙ্গীকার করেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশে শান্তির মানদণ্ড আছে। সেটা হলো পুরোদমে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা। এসব নিশ্চিত করতে হবে। সবাই মিলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করতে হবে।’

জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দিন বাবলুও শান্তি প্রতিষ্ঠায় তার দল সচেষ্ট থাকবে বলে অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক রীতিতে সব দল নির্বাচনে অংশ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এবার সেটা হচ্ছে। আশা করি, প্রতিটি দল যার যার জায়গা থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখবে। নেতাকর্মীদেরও সে রকম নির্দেশনা দেবে।’

আওয়ামী লীগ নেতা ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দেশে শান্তিপূর্ণ অবস্থা অবশ্যাম্ভাবী। তাই সব দলকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।’ রাজনীতিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকতে প্রতীজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক