২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

লালমনিরহাটে লক্ষ্মী প্রতিমা রাস্তার মোড়ে ভেঙ্গে রাখায় থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের হাতুড়া (দেবদেবীরহাট)র দক্ষিণ পার্শ্বে তিনমাথা রাস্তার মাঝখানে সুসজ্জিত লক্ষ্মী প্রতিমা কে বা কাহারা ভেঙ্গে রেখেছে।

জানা গেছে, বুধবার (৪ আগস্ট) এস সাধন রায় নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মী প্রতিমা ভাঙ্গা ছবি ভাইরাল হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের হাতুড়া (দেবদেবীরহাট)র দক্ষিণ পার্শ্বে তিনমাথা রাস্তায় কে বা কাহারা একটি লক্ষ্মী প্রতিমা ভেঙ্গে রেখে যায়। এস সাধন রায় ছবিগুলো তার ফেসবুকে পোস্ট করে। এই ছবিগুলো পোস্টের পর পরেই মুহুর্তে শত শত গ্রামবাসী তিন রাস্তার মোড়ে ভাঙ্গা প্রতিমাটি দেখতে ভীড় জমায়। বিষয়টি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এসেছে।

এদিকে বুধবার (৪ আগস্ট) রাতে বিশ্বনাথ রায় (৫৭) বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ০৩/০৮/২০২১ইং তারিখে প্রতিদিনের ন্যায় ঠাকুর ভক্তি করে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। ০৪/০৮/২০২১ইং তারিখ সকাল ৮:০০ঘটিকার দিকে আমার ছোট ভাই শ্রী কৃষ্ণ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী শ্রীমতি শেফালী রাণী বাড়ির বাহিরে উঠানের লক্ষ্মী প্রতিমাকে পূজা দেয়ার জন্য গিয়ে দেখতে পান মন্দিরে লক্ষ্মী প্রতিমাটি নেই। তিনি সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করিয়া ডাকিলে আমি, আমার স্ত্রী, আমার সন্তানসহ সকলে গিয়ে দেখতে পাই ঠাকুর ঘরের দরজা খোলা ও ঘরের ভিতরে লক্ষ্মী প্রতিমাটি নেই। অনেক লোকজনকে ঘটনার বিষয়ে জানিয়ে আমার হারিয়ে যাওয়া প্রতিমাটি খুঁজতে থাকি। কিছুক্ষণ পর লোকমুখে শুনতে পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখি আমার বাড়ির পশ্চিম পাশে অনুমানিক ৫শত গজ দূরে দেবদেবীরহাটের দক্ষিণ পাশে তিন মাথা রাস্তার মাঝ খানে কে বা কাহারা আমার লক্ষ্মী প্রতিমাটি ভেঙ্গে ফেলে রেখেছে। পরবর্তিতে রাত্রি ৮:০০ঘটিকায় ভাঙ্গা লক্ষ্মী প্রতিমাটি আমার ছেলে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে রাখেন। উক্ত ঘটনার কারনে আমার পরিবারের লোকজন, এলাকাবাসীসহ সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মর্মাহত ও ভীষণ আতংকিত।

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহা আলম সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। দ্রুত পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি