১৯শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

রোমান্সের মুহূর্তে উজ্জীবিত করবে সুগন্ধি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রূপচর্চায় নানা রকম এসেনশিয়াল অয়েলের ব্যবহার হয়। শরীর, মন স্নিগ্ধ করতেও এর জুড়ি নেই। রোজ, মিন্ট, জেসমিনের মতো প্রাকৃতিক তেলের। কিন্তু জানেন কি, শুধু রূপচর্চার ক্ষেত্রেই নয়, আপনার প্রেমের সম্পর্ক আরো উজ্জীবিত করে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এ সব এসেনশিয়াল অয়েল।

একঘেয়েমি, ক্লান্তি দূর করে নিমেষে আপনাকে চনমনে করে তোলার ক্ষমতা রয়েছে এসেনশিয়াল অয়েলের যা আপনার বেডরুমের ছবিটাই পালটে দিতে পারে। তেমনই কিছু সুগন্ধী সম্পর্কে বলা হলো-

চন্দন তেল:

চন্দনের স্নিগ্ধ সুবাসের প্রভাব রয়েছে আমাদের শরীর আর মন দুইয়ের উপরেই। মনের মানুষের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার আগে আপনার মধ্যে যদি উদ্বেগ কাজ করে, তা হলে শরীরের পালস পয়েন্টে ঘষে নিন কয়েক ফোঁটা চন্দনের নির্যাস। মুহূর্তে মন ফুরফুরে হয়ে যাবে, চন্দনের সুগন্ধে ভরে উঠবে আপনাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তগুলো।

গোলাপ:

প্রেম বা রোমান্সের সঙ্গে যদি কোনও একটা ফুলের ঘনিষ্ঠ যোগ থেকে থাকে, তা হল গোলাপ। সে জন্যই ভ্যালেন্টাইনস ডে-র আগে বাজার ছেয়ে যায় গোলাপে। বারবার প্রেমের প্রতীক হিসেবে উঠে এসেছে গোলাপের নাম। তাই প্রেমের একান্ত মুহূর্তগুলো আরও সুন্দর করে তুলতেও যে গোলাপের নির্যাসের ভূমিকা থাকবে, তাতে আর আশ্চর্য কী! গোলাপের নির্যাস আপনার মনমেজাজ ফুরফুরে রাখে, হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে ও আপনার আবেদনও বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই। গোসলের পানিতে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে নিন, দেখবেন চারপাশটা কেমন রঙিন হয়ে গেছে!

ইলাং ইলাং:

প্রেমের আবেদন, রোমান্সের অনুভূতি, শরীরী কামনা বাড়িয়ে তুলতে চিরকালই কদর পেয়েছে ইলাং ইলাং এসেনশিয়াল অয়েলটি। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিবাহ পরবর্তী নানা আচার অনুষ্ঠানে ইলাং ইলাংয়ের ব্যবহার বহুল প্রচলিত। গোসলের পানিতে মিশিয়ে মেখে নিন আর দেখুন কীভাবে আপনাদের প্রেমের বাঁধন আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে!

জুঁই:

গোলাপের মতোই প্রেম-ভালোবাসার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জুঁইফুলের নামও। জুঁইয়ের চড়া অথচ মাদকতাময় গন্ধের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে একটা অদ্ভুত মেয়েলি সুবাস যা আপনার সঙ্গীকে কাছে টানবে।গোসলের পানিতে মিশিয়ে মাখতে পারেন অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে গায়ে মাখতে পারেন, ফল একইরকম হবে।

ভ্যানিলা:

সারাদিনের পরিশ্রম ঝেড়ে ফেলে চাঙ্গা হয়ে উঠতে আপনার হাতিয়ার ভ্যানিলা এসেনশিয়াল অয়েল। ঘরের ডিফিউজ়ারে কয়েক ফোঁটা দিয়ে রাখুন। ভ্যানিলার সুবাসে ভরে থাকবে আপনাদের প্রেমের মুহূর্তগুলো।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।