২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

মহম্মদপুরের ইউপি মেম্বর লিটন ডাকাতি মালামাল সহ মানিকগঞ্জে গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মানিকগঞ্জের নয়াডিঙ্গী এলাকায় একটি টেক্সটাইল মিল থেকে ডাকাতি হওয়া ৪৩ লক্ষ টাকার মালামালসহ মাগুরার মহম্মদপুর সদর ইউনিয়নের ইউপি মেম্বর লিটন শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ১ জুলাই দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাটুরিয়া থানার নয়াডিঙ্গী রাইজিং নিট টেক্সটাইলসের বাউন্ডরি ওয়ালের নিচ দিয়ে ১২-১৩ জন ডাকাত ভিতরে প্রবেশের পর সিকিউরিটি গার্ডদের মারপিট করে হাত-পা ও মুথ বেঁধে ডাকাতি করে।

পুলিশের দাবি, এই ডাকাতদলের মূল হোতাই ছিলেন মাগুরার মহম্মদপুরের তথাকথিত ওই জনপ্রতিনিধি লিটন শেখ। তার নেতৃত্বে ডাকাতরা গেট খুলে একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন কাভার ভ্যান ঢুকিয়ে কোম্পানির ভিতরের পূর্ব পাশের গোডাউনের সামনে থেকে ভিয়েতনাম থেকে আমদানীকৃত ৪৩ লাখ ১৯ হাজার ২৪৮ টাকা মূল্যমানের ৩৬৩৪.৯৯ কেজি সুতা ডাকতি করে ঢাকার দিকে চলে যায়।

এ ঘটনায় রাইজিং নিট টেক্সটাইলস লিমিটেডের ডিজিএম অ্যাডমিন মো. মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যার প্রেক্ষিতে রাইজিং নিট টেক্সটাইলসের সামনে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের স্থাপিত সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আশুলিয়া জামগড়া এলাকায় একটি গোডাউন থেকে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার করা হয়।

পরে ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে পুলিশ লিটন শেখ (৩৬), সহযোগী আব্দুল করিম (৩৮), মো. রেজাউল (৩২) ও গাড়ির চালক ওবায়দুলকে (৪২) গ্রেফতার করে।

মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ভাস্কর সাহা জানান, ইতোমধ্যেই ডাকাতদলের সরদার লিটনসহ ৪জনকে  গ্রেফতারের পাশাপাশি লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত কাভার্ডভ্যানটিও উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ডাকাতদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি-ডাকাতিসহ আরও নানা অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি জানান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।