২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

মধুপুরে বাল্য বিয়ে বন্ধ ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও’র) হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেলেন ৮ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। ২৮জুলাই বুধবার বিকালে টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন দক্ষিণ বোয়ালী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীন বিয়ের আয়োজন স্থগিত করে বর ও কনে পক্ষকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সার্টিফিকেট সহকারি খন্দকার মোকাদ্দেস আলী জানান, উপজেলার স্থানীয় একটি মাদরাসার ৮ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সাথে ঘাটাইল উপজেলার রামপুর গ্রামের হাছান আলীর ছেলে আজিজুল খানের বিয়ের আয়োজন করা হয়। সংবাদ পেয়ে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন বোয়ালী গ্রামে মেয়ের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বিয়ের আয়োজন স্থগিত করেন। কঠোর লকডাউনের সময় বাল্য বিয়ে নিরোধ আইন লঙ্ঘনের দায়ে বর পক্ষকে ৩০ হাজার টাকা এবং কনে পক্ষকে ১০ হাজার মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। টাঙ্গাইল জেলায় বাল্য বিবাহ সংগঠিত জরিপে ১ম স্থানে রয়েছে মধুপুর উপজেলা। তবে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন মধুপুরে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। তিনি মধুপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই বাল্য বিবাহ অনেকাংশেই কমে গেছে।
অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলে মেয়েদের অভিভাবকগনকে তিনি বুঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে অল্প বয়সে বিয়ে হলে সেই সংসার কোন দিনও আলোর মুখের সন্ধান পাবেনা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ের বিয়ে দিলে সেই মেয়ের জীবনও থাকে ঝুঁকি মধ্যে।
দিন বা রাত যখনই তিনি জানতে পারেন কোথাও বাল্যবিবাহ সংগঠিত হচ্ছে সাথে সাথে সেখানে উপস্থিত হয়ে তা বন্ধ করে উভয় পক্ষকে জরিমানাসহ বিয়ে বন্ধ করে জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি