২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

বাঘাইছড়িতে মোবাইল কোট পরিচালনা জরিমানা আদায়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃমহিউদ্দিন  বাঘাইছড়ি প্রতিনিধিঃ-

করোনার পাদুর্ভাব বৃদ্ধির কারণে সরকারি ভাবে কঠোর লকডাউন ঘোষণার পর লকডাউন সরেজমিনে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে মোবাইল কোট পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বেলা ১২:৩০ মিনিটে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোন ও বাঘাইছড়ি থানা পুলিশের সহযোগিতায় উপজেলার চৌমুহনী সদর মার্কেটে মোবাইল কোট পরিচালনার পাশাপাশি লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে উপজেলা প্রশাসনকে।

এ সময় দোকানের বারান্দাতে মালামাল রাখার কারনে মেসার্স আলী আহম্মদ ষ্টোরে ২০০০ টাকা, ফল বিতানে ৫০০ টাকা, ফুডল্যান্ট দোকানে ৫০০ টাকা, এসব দোকান মালিকদের সর্ব মোট ৩০০০/ টাকা জরিমানা আদায় করেন। এবং বেশকিছু দোকান মালিককে মৌখিক ভাবে সর্তক করেন। এবং বাজার পরিষ্কার পরিছন্নতা রাখার জন্য অনুরোধ করে। সকলকে মাস্ক পরার পরামর্শের পাশাপাশি অযথা ঘুরাফেরা না করার অনুরোধ জানান

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি