২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

দেশের সকল চা বাগানে মজুরী ও রেশনসহ ছুটির দাবি-চা শ্রমিক ফেডারেশন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সোনাই ডেক্স: মহামারি করোনাভাইরাসে গোটা দেশ যখন লকডাউনে তখন দেশের ১৬৬ টি চা বাগানে শ্রমিকদের ছুটি নেই। চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও আতঙ্কের মধ্যে কাজ করছে প্রায় দেড় লক্ষ শ্রমিক। এই পরিস্থিতি নিরসনে অবিলম্বে সকল চা বাগানে সবেতন ছুটিসহ খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ‘বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক হৃদেশ মুদি বলেন, দেশের এই চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে সবাইকে যখন নিজগৃহে নিরাপদে অবস্থান করার কথা বলা হচ্ছে, তখন একই রাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে চা শ্রমিকদের জন্য ভিন্ন আইন কিভাবে চালু থাকে? এখনও চা বাগানগুলোতে ছুটি ঘোষনা না করে কার্যত চা শ্রমিকদের এক চরম বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। চা বাগানগুলোতে কয়েকদিন আগেও দর্শনার্থী সমাগম, মানুষের মধ্যে অসচেতনতা এবং সর্বোপরি স্বাস্থ্য সেবার অপ্রতুলতার কারণে এই সেক্টরে সংক্রমনের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। অথচ মালিকপক্ষের একচেটিয়া মুনাফার স্বার্থে এই জাতীয় দুর্যোগের সময়েও চা বাগানকে ছুটির আওতায় আনা হয়নি। যার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, অবিলম্বে দেশের সকল চা বাগানে মজুরী ও রেশনসহ ছুটি ঘোষনা ও শ্রমিকদের খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ  গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি