২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

দালাল সিন্ডিকেট দের নিয়ন্ত্রণে গজারিয়া এম্বুলেন্স সার্ভিস

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওসমান গনি
গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জর গজারিয়া উপজেলা গজারিয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স সেন্টিকেট দালালদের কারণে গরীবদের দুর্ভাগ্য শেষ নেই। অভিযোগ আছে, তারা বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালকদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।কারো কারো মুখে শোনা যাচ্ছে গজারিয়া থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক আশরাফ চাকরি থেকে অবসর এসে এ দালাল সিন্ডিকেট তৈরি করেছে।সরকারি অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট বলে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়ে বেশি ভাড়া আদায় করে থাকেন।এই আশরাফ কে নাকি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া থেকে কমিশন দেওয়া লাগে।গজারিয়া থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ঢাকা যাওয়ার ভারা হওয়ার কথা ছিল সর্বোচ্চ ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা কিন্তু তারা সেই ভারা না নিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা ৫০০০ থেকে ৬০০০ টাকা ভাড়া নিচ্ছে। গজারিয়া থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের লাইন দেখা যায়।হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সংকটের সুযোগ নিয়ে রোগীদের জিম্মি করছে এ সিন্ডিকেট। নূন্যতম সুযোগ-সুবিধা নেই এমন পুরনো লক্কর-ঝক্কর মাইক্রোবাস গ্যারেজে মেরামত করে হর্ন লাগিয়ে ও গায়ে ‘অ্যাম্বুলেন্স’-এরস্টিকার মেরে অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তর করা হচ্ছে।হাসপাতালের সামনে রাস্তার ঘেঁষে সারিবদ্ধভাবে ৩ থেকে ৪ টি অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকে। হাসপাতাল থেকে বের হওয়া রোগীর স্বজনরা এই বাহনগুলোর কাছে আসার আগেই দালাল চক্র ঘিরে ধরে এবং কম টাকায় নিরাপদে পৌঁছানোর কথা বলে। এখানে দালালদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের দর কষাকষি ও ঝগড়া নিত্যদিনের ঘটনা।গজারিয়া উপজেলা প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি এইসব দালালচক্র দের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসুন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি