২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

তিস্তার পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

তিস্তা নদীর পানি আবারও বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর এতে করে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন জায়গা ভাঙ্গণ কবলিত হয়েছে।

 

আজ শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সকালে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তর অঞ্চল রংপুর প্রধান প্রকৌশলী জোতি প্রসাদ ঘোষ। এ সময় তার সাথে ছিলেন লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

 

জানা গেছে, উজানের পাহাড়ী ঢল ও হালকা বৃষ্টিতে আবারও তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ বেড়ে বিপৎসীমার ১৫সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২দশমিক ৭০সেন্টিমিটার।

 

ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে প্রধান প্রকৌশলী, ভাঙ্গণ নিরসনে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন ও সরকারের নেয়া নানা কর্মসূচি সম্পর্কে স্থানীয়দের অবহিত করেন।

 

এ সময় উত্তর অঞ্চল রংপুর প্রধান প্রকৌশলী জোতি প্রসাদ ঘোষ নৌকা যোগে ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ইতিমধ্যে পূর্বের ভাঙ্গণ কবলিত এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ চলমান রয়েছে। নতুন করে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা ঘুরে দেখলাম, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দিয়েছি। এই এলাকার জন্য ৫০কোটি টাকার একটি প্রকল্প বর্তমানে প্ল্যানিং কমিশনে রয়েছে। ইনশাল্লাহ আগামিতে তিস্তার এই তীরবর্তী এলাকা ভাঙ্গণ মুক্ত হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি