২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

টিকার আওতায় দেশের ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৮ জন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশের ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৮ জন মানুষ করোনা টিকার আওতায় এসেছে। এদের মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৮২৯ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪৩ লাখ ৬৭ হাজার ৯২৯ জন।

প্রথম ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৫৬ লাখ ৯৩ হাজার ১৭২ আর নারী ৩৭ লাখ ৫ হাজার ৬৫৭ জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ২৭ লাখ ৮১ হাজার ৪৯৮ আর নারী ১৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪৩১ জন।

সোমবার (২ আগস্ট) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ড নিয়েছেন দেশের ১ কোটি ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৪০ জন মানুষ। চীনের সিনোফার্মের টিকা নিয়েছেন ২৭ লাখ ৪২ হাজার ১৮৬ জন। ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা নিয়েছেন ৫৩ হাজার ৪২৩ জন। আর মডার্নার টিকা নিয়েছেন ৮ লাখ ৪৪ হাজার ২০৯ জন।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৬৩ লাখ ৬০ হাজার ৫০৫ এবং নারী ৩৭ লাখ ৬৬ হাজার ৪৩৫ জন। এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৪৩ লাখ ৬ হাজার ৮৮৭ জন দ্বিতীয় ডোজ এবং ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জন প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ২৭ লাখ ৫১ হাজার ৪১৪ এবং নারী ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৪৭৩ জন। আর প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী ৩৬ লাখ ৯ হাজার ৯১ জন পুরুষ এবং নারী ২২ লাখ ১০ হাজার ৯৬২ জন।

এদিকে, চীনের সিনোফার্মের টিকার প্রয়োগ ১৯ জুন থেকে শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে গণ টিকাদান কর্মসূচিতে অদ্যাবধি এ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৪১৯ এবং নারী ১১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৬৭ জন। এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ২৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩১২ জন প্রথম ডোজ এবং ৫৭ হাজার ৮৭৪ জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন।

প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৩০৬ এবং নারী ১১ লাখ ৫৭ হাজার ৬ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী ২৮ হাজার ১১৩ জন পুরুষ এবং নারী ২৯ হাজার ৭৬১ জন।

ঢাকার ৭টি কেন্দ্রে ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা নিয়েছেন ৫৩ হাজার ৪২৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৪৫ হাজার ২১৯ এবং নারী ৮ হাজার ২০৪ জন। এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৫০ হাজার ২৫৫ জন প্রথম ডোজ এবং ৩ হাজার ১৬৮ জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ৪৩ হাজার ২৪৮ এবং নারী ৭ হাজার ৭ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী ১ হাজার ৯৭১ জন পুরুষ এবং নারী ১ হাজার ১৯৭ জন।

এদিকে, ১৩ জুলাই থেকে দেশের সিটি করপোরেশনগুলোতে মডার্নার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত এই টিকা নিয়েছেন ৮ লাখ ৪৪ হাজার ২০৯ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫২৭ ও নারী ৩ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ১ কোটি ৬০ লাখ ৫৮ হাজার ৫২৬ জন করোনা টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি