২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ঝিকরগাছা অজ্ঞাত চুরি মামলার ১দিনের মাথায় মালামাল সহ ৩আসামী গ্রেফতার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শাহাবুদ্দিন মোড়ল ঝিকরগাছা :

যশোরের ঝিকরগাছা থানা পুলিশের রুজু করা অজ্ঞাত চুরি মামলার বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল রাজ্জাকের নির্দেশে ১দিনের মাথায় মালামাল সহ ০৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে এসআই (নিঃ) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী সদিরআলী গ্রামের মৃত কোমর আলী মোড়লের ছেলে মোঃ মোশারেফ হোসেন @ মুসা (৩৬) বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী দিয়ে একটি চুরি মামলা করেন। যে মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, তার শ্বশুর মারা যাওয়ার পরে তিনিসহ তার পরিবারের সদস্যরা বাদির শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করার সুযোগে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা বাদির বসতবাড়ি ফাঁকা পেয়ে বাড়ির গেটের গ্রীলের তালা ভেঙ্গে ফ্লাটে প্রবেশ করে তাহার শয়ন কক্ষের দরজার তালা ভেঙ্গে কক্ষের মধ্যে থাকা আলমারীর ভিতর হতে স্বর্ণ ও রুপা এবং নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই (নিঃ) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বুধবার (০৪ আগষ্ট) ঘটনাস্থলে গিয়ে মামলার সাথে জড়িত সন্ধেহে গদখালী সদির আলী গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪০) কে গ্রেফতার করেন। পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে সে উক্ত বাড়িতে চুরি করার কথা স্বিকার করে এবং তার স্বিকারোক্তিতে চুরির মালামাল সহ চুরির সাথে সংযুক্ত শার্শা উপজেলার নাভারণ রেল বাজারের মৃত মাসুম সর্দারের চেলে সাইদুল আলম (৪৮) এবং ঝিকরগাছা পৌর সদরের পুরন্দরপুর গ্রামের মো আনছার আলীর ছেলে ও মুসলিম জুয়েলার্সের মালিক আহম্মেদ রাজু (৩৫) কে মালামাল সহ গ্রেফতার করেছেন। থানায় মামলা নং ০৪, তারিখ-০৩/০৮/২০২১।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি