২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ নদে অপরিকল্পিত সেতু অপসারণ ও নদ বান্ধব সেতু নির্মানের দাবীতে মানববন্ধন ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শাহাবুদ্দিন মোড়ল ঝিকরগাছা (যশোর) :

নদী বাঁচাও, দেশ বাঁচাও এই স্লোগানকে সামনে রেখে যশোরের ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ নদের উপর অপরিকল্পিত নদ মরা সেতু অপসারণ করে অভিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায় করে পুনরায় নদ বান্ধব সেতু নির্মানের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলনের ঝিকরগাছা কমিটির আহবায়ক আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, নদী আন্দোলনের প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, স্থানীয় দৈনিক সত্যপাঠ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন আলম, কপোতক্ষ বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক আনিল বিশ্বাস, ভৈরব নদ সংস্কার আন্দোলনের নেতা জিল্লুর রহমান ভিটু, কপোতক্ষ বাঁচাও আন্দোলনের নেতা মাষ্টার আব্দুর রশিদ, এ্যাড: আমিনুর রহমান হিরু, বিমল কুমার ঘোষ, সামছুল আলম বাসার, ডা: বিল্লাল হোসেন, সুভাষ ভক্ত, মতিয়ার রহমান, মোখলেছুর রহমান কেটি প্রমুখ। মানববন্ধন পরিচালনা করেন, উদিচী শিল্প গোষ্ঠির শাহিনুর রহমান শাহিন।

মানববন্ধনে নদী আন্দোলনের প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের এই কপোতাক্ষ নদকে নিয়ে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা কবিতা কপোতাক্ষ নদ। কবিতায় কবি তার আত্মোপলব্ধিজনিত প্রগাঢ় স্বদেশপ্রেম যুগ-যুগান্তরের সীমানা পেরিয়ে বাঙালি হৃদয়ে জাগীয়ে তুলেছে। আর কবির কবিতার মূলভাব কে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিবর্গ তাদের স্বার্থ হাসিল করতে সেতু নির্মাণে তারা ব্যাপক অনিয়ম শুরু করেছে। কিন্তু এই অনিয়মন যশোর জেলাবাসী মেনে নিতে না পারায় আজ আমাদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করতে হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিড়ো টলারেন্স করতে কঠোর ভাবে কাজ করে চলেছেন। ঠিক সেই সময়ে একটি কুচক্রীমহল কপোতাক্ষ নদের উপর সেতু তৈরীর নক্সা পরিবর্তন করে সরকারি নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে ব্যাপক হারে অনিয়মে পরিচালনা করছে। ঝিকরগাছার কপোতাক্ষ নদের উপর অপরিকল্পিত নদী মরা সেতু অপসারণ করে অভিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায় করে পুনরায় নদ বান্ধব সেতু নির্মানের দাবী জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আগামী ২৯ আগষ্ট রবিবার ঝিকরগাছা সেতুর উপরের আবারও মানববন্ধ ও সমাবেশ সফল করার আহবান জানান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি