২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

গুঁড়া দুধ দিয়ে কালোজাম তৈরির রেসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঝটপট মিষ্টি তৈরি করতে চাইলে বেছে নিতে পারেন গুঁড়া দুধের কালোজাম। মিষ্টি তৈরির অন্যতম উপকরণ ছানা হলেও তা তৈরি করা কিছুটা সময়সাপেক্ষ। তাই দ্রুত তৈরি করতে চাইলে গুঁড়া দুধ ব্যবহার করতে পারেন। সঠিক পদ্ধতিতে তৈরি করলে স্বাদে খুব বেশি পার্থক্য হবে না। চলুন তবে রেসিপি জেনে নেওয় যাক-

তৈরি করতে যা লাগবে

গুঁড়া দুধ- ১ কাপ

ময়দা- ২ টেবিল চামচ

সুজি- ১ টেবিল চামচ

তরল দুধ- আধা কাপ

বেকিং পাউডার- আধা চিমটি

ঘি- আধা চা চামচ

তেল- ভাজার জন্য

মাওয়া- ১ কাপ।

সিরা তৈরি করতে যা লাগবে

পানি- ৩ কাপ

চিনি- ২ কাপ

এলাচ- ২-৩টি।

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে গুঁড়া দুধ, ময়দা, সুজি ও বেকিং পাউডার ভালোভাবে মেশাতে হবে। এবার তাতে ঘি মেশান। এরপর একটু একটু করে তরল দুধ দিয়ে ডো তৈরি করে নিন। আঠালো ডো তৈরি হবে। এবার হাতে ঘি মাখিয়ে ডো থেকে অল্প করে ভাগ নিয়ে হাতের তালুতে নিয়ে কালোজামের আকৃতি দিন। এভাবে সবগুলো মিষ্টি তৈরি করে নিন।

একটি হাড়িতে সিরার পানি গরম দিন। পানি ফুটে উঠলে তাতে চিনি ও এলা চিন। সিরা ফুটে উঠলে জ্বাল একেবারে কমিয়ে ঢেকে রাখুন। এরপর অন্য একটি প্যানে তেল মাঝারি আঁচে গরম হতে দিন। গরম হলে মিষ্টিগুলো একটি একটি করে ভেজে তুলুন। তেল কিন্তু বেশি গরম হতে দেওয়া যাবে না। তাহলে মিষ্টির উপরের অংশ পুড়ে গেলেও ভেতরে কাঁচা থেকে যাবে।

মিষ্টি গাঢ় বাদামি করে ভেজে তুলে চিনির সিরায় দিয়ে জ্বাল মাঝারি আঁচে দিতে হবে। এভাবে রাখতে হবে মিনিট দশেক। মাঝে একবার সাবধানে নেড়ে দিতে হবে। এরপর নামিয়ে ঢেকে রাখুন অন্তত এক ঘণ্টা। এরপর মিষ্টি সিরা থেকে তুলে মাওয়ায় গড়িয়ে পরিবেশন করুন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি