১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার শিয়ালী ঘটনার প্রতিবাদে পাইকগাছায় মানববন্ধন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাকেশ সরকার পাইকগাছা খুলনা থেকে।

 

খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার শিয়ালী গ্রামের অর্ধ শতাধিক হিন্দু পরিবারের উপর হামলা, মন্দিরে প্রতিমা, দোকানপাট ও ঘরবাড়ী ভাংচুর, লুট এবং সাভারে অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র মন্ডলের নৃশংশ হত্যার প্রতিবাদে এবং সরকারী বাজেটে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

আজ শুক্রবার (১৩ আগষ্ট) সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে প্রধান সড়কে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট পাইকগাছা উপজেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি এ্যাড. শিবুপ্রসাদ সরকারের সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা রমেন্দ্রনাথ সরকার। বিশেষ অতিথি উপদেষ্টা অবঃ অনারারী ক্যাপ্টেন মোহনলাল দাশ, জেলা নেতা মহানন্দ অধিকারী, সহ-সভাপতি প্রদীপ কুমার রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক জীবন কিশোর রায়, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ মন্ডল।

 

সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক রবীন্দ্রনাথ কর্মকার এর সঞ্চালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, জগদীশ রায়, কনক সরকার, প্রশান্ত সরকার, পরেশ মন্ডল, সন্তোষ সরকার, অসীম দাশ, প্রদীপ মন্ডল, সুজিত মন্ডল, সাবেক কাউন্সিলর প্রভাষ মন্ডল, শ্যামপদ মন্ডল, দীপংকর সরকার,বন্দনা দাশ,সুমিত্রা দাশ, আশুতোষ সরকার, নন্দলাল সরকার, উত্তম ঢালী, প্রভাষক আব্দুল ওহাব বাবলু, তাপস সাধু, নীলকোমল অধিকারী, প্রীতিশ মন্ডল, বিলাস কবিরাজ, রিপন সরদার, দিপংকর, সন্তোষ সানা, ধীমান মন্ডল প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি