২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

কিশোরগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ষ্টাফ রিপোর্টার: কিশোরগঞ্জ সদরের রশিদাবাদ ইউনিয়নের লতিবপুর এলাকায় অসচ্ছল শারীরিক প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

‘বন্ধুমহল সংগঠন-২০০৬’ এর আয়োজনে আজ শুক্রবার (১৯/০৩/২০২১) বিকালে লতিবপুর মোড় বাজার আ: রশীদ মাষ্টার রোড সংলগ্ন সংগঠনের অফিস কার্যালয়ে লতিবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে অসহায়দের মাঝে হুইল চেয়ার ও নগদ অর্থ প্রদান করেন।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আতিকুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে নিরলশ কাজ করে যাচ্ছে। তাদেরকে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রতিবন্ধীরা যদি সঠিক সহায়তা ও উপকরণ পায় তবে তারাও আমাদের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারবে। তাদের জীবন-যাপন আরো সহজ ও সুন্দর হবে ।

এ সময় খানকায়ে মাহবুবীয়ার খাদেম ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এ.আর আসাদুজ্জামান আসাদ, রশিদাবাদ ইউপি সদস্য কাঞ্চন, ফারুক, জহীরুল ইসলাম, রাজনৈতিক জহিরুল ইসলাম জুয়েল, দলিল লেখক মতি সরকার, সমাজসেবক আঙ্গুর মিয়া, হাবিবুর রহমান হাবিব, ‘বন্ধুমহল সংগঠন-২০০৬’ এর সভাপতি মো: খাইরুল ইসলাম সাগর, সহ-সভাপতি শাহজাহান সাজু, সাধারন সম্পাদক কফিল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এ.আর সুমন আহমেদ, শ্রী কাঞ্চন বর্মণসহ আরো অনেকেই এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি