২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরি করতে এসে যুবক ধরা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাহাদাত শিকদার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি।

 

 

গাজীপুরের শ্রীপুরে কবর খুড়ে কঙ্কাল চুরি করার সময় কঙ্কালসহ এক যুবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।

 

মঙ্গলবার (১০আগষ্ট) ভোরে শ্রীপুর পৌর এলাকার চন্নাপাড়া গ্রামের গণি হাজী বাড়ীর পারিবারিক কবরস্থানে এঘটনা ঘটে।

 

সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর থানা চরেরপাড় গ্রামের মো: কাশেম আলী ছেলে জাকির হোসেন (১৯) কে আটক করে। এসময় রাজন ও মজনু নামে দুই সহযোগী পলিয়ে গেছে। তারা তিনজনই চন্নাপাড়া গ্রামের হাজী আলাউদ্দিনের বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় কারখানায় কাজ করতো।

 

স্থানীয় আলহাজ্ব মো: আতাবুল্লাহ্ জানান, ফজরের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হলে জাকির, রাজন ও মজনুকে কবর স্থানের পাশে ব্যাগ হাতে দেখতে পান। পরে তাদের ব্যাগে কি আছে? জানতে চাওয়াতে তারা দেঁৗড়ে পালানো চেষ্টা করেন। পরে দৌড়ে জাকির হোসেনকে আটক করা গেলেও বাকীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তার সাথে থাকা ব্যাগ থেকে দুটি মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়।

 

তিনি আরও জানান, চার মাস পূর্বে স্থানীয় জহুরা খাতুন ও তিন বছর আগে আজিজুল ইসলামের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তাদের কবর থেকেই কঙ্কাল চুরির চেষ্টা করা হয়েছে।

 

এবিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান, ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে জাকির হোসেন নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি