1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাজধানীতে মৌসুমের শিলাবৃষ্টি। কুষ্টিয়ায় একঘণ্টা আটকা বেনাপোল এক্সপ্রেস। বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষনা বহির্ভূত ৬ কোটি টাকার পণ্য আটক। দুর্গম ধুপশীল পাড়ায় ৫ম তম কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত । লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন  । শ্যামনগরে রমজান উপলক্ষে তিনশত দরিদ্র পরিবারে ফুড প্যাক বিতরণ। খুলনা মোংলা মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত -১২ জন। শ্যামনগরে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ইফতার মাহফিল। রাজৈরে সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ইফতার মহফিল। জিয়া শিশু কিশোর সংগঠন খুলনা মহানগর শাখার দোয়া ও ইফতার মাহফিল।

ইয়েমেন ৩ বছরে অপুষ্টিতে ৮৫ হাজার শিশুর মৃত্যু

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৮
  • ৩৩৩ বার পঠিত

তানভীর তানজিম : মৃত শিশুদের এই সংখ্যাটি যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বার্মিংহামের পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের সংখ্যার সমান বলে জানিয়েছে সেভ দ্য চিলড্রেন, খবর বিবিসির।

এক কোটি ৪০ লাখেরও বেশি ইয়েমেনি দুর্ভিক্ষের মুখে আছে বলে গত মাসে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। এই বিশ্ব সংস্থাটি বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক মানবিক সংকট সৃষ্টিকারী ইয়েমেনের যুদ্ধ অবসানে লড়াইরত পক্ষগুলোরকে আলোচনার টেবিলে বসানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

এ লড়াইয়ে ইয়েমেন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। দেশটির হুতি বিদ্রোহীরা ২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট আব্দরাব্বু মনসুর হাদিকে বিদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য করার পর দেশটিতে বিমান হামলা শুরু করে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী, এতে লড়াই আরও ছড়িয়ে পড়ে।

জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, এ যুদ্ধে অন্তত ৬,৮০০ বেসামরিকের মৃত্যু হয়েছে এবং ১০,৭০০ জন আহত হয়েছেন।

এ যুদ্ধ ও সৌদি জোটের আংশিক অবরোধ দেশটির দুই কোটি ২০ লাখ লোককে মানবিক ত্রাণ সহায়তার ওপর বেঁচে থাকার দিকে ঠেলে দিয়েছে। এতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জরুরি খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে এবং কলেরার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ে এক কোটি ২০ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্যোগময় এসব পরিস্থিতিতে প্রকৃতপক্ষে কতোজনের মৃত্যু হয়েছে সেই সংখ্যা নির্ধারণ করার অত্যন্ত কঠিন।

ইয়েমেনে কাজ করা ত্রাণ কর্মীরা জানিয়েছেন, দেশটির হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর মধ্যে মাত্র অর্ধেকের মতো এখনও সচল আছে আর অনেক লোকই এত গরিব যে যেগুলো খোলা আছে সেগুলোতে চিকিৎসা নেওয়ার মতোও সঙ্গতি নেই তাদের।

জাতিসংঘের সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, তাদের হিসাবে এপ্রিল ২০১৫ থেকে অক্টোবর ২০১৮ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ৮৪,৭০০ শিশুর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

বাড়তে থাকা খাদ্যমূল্য ও গৃহযুদ্ধের কারণে মান হারাতে হতে থাকা ইয়েমেনি মুদ্রা আরও অনেক পরিবারকে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আরও বেশি পরিমাণ লোককে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ার জন্য সৌদি জোটের অবরোধকে দায়ী করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ত্রাণ সংগঠনটি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT