২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ইউক্রেনে রাশিয়া-ইউরোপের তেল পাইপলাইনে ‘রহস্যজনক’ বিস্ফোরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা শহরের মধ্য দিয়ে যাওয়া একটি আন্তর্জাতিক তেল পাইপলাইন বিস্ফোরণে উড়ে গেছে। ধ্রুঝবা (বাংলা অর্থ বন্ধুত্ব) নামে ওই পাইপলাইন দিয়ে রাশিয়া থেকে পূর্ব ও মধ্য ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে তেল সরবরাহ করা হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা ও পশ্চিমাদের ক্রমাগত সতর্কবার্তার মধ্যেই ‘রহস্যজনক’ এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো। খবর এএফপির।

রুশ বার্তা সংস্থা আরআইএ নভোস্তি জানিয়েছে, শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ধ্রুঝবা পাইপলাইনের মস্কোপন্থি শহর লুহানস্ক অংশে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। ছবিতে পাইপলাইন থেকে আগুনের কুণ্ডলী ওপরে উঠতে দেখা গেছে।

বিস্ফোরণের কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে এতে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে। রুশ গণমাধ্যম আরও জানিয়েছে, পাইপলাইনে বিস্ফোরণের এক ঘণ্টার মধ্যে লুহানস্কে আরেকটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। এরও কোনো কারণ জানা যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লুহানস্কের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হয়েছে, শহরের উপকণ্ঠে একটি পেট্রল স্টেশনে দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি ঘটেছে।দুটি বিস্ফোরণেই এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

দুদিন ধরে ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলগুলোতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সহিসতা হঠাৎ বেড়ে গেছে। উভয়পক্ষ থেকেই পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সরকারি বাহিনী গোলাবর্ষণসহ অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিদ্রোহীরা।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের জন্য যেকোনো ধরনের অজুহাত খুঁজছে। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে ইউক্রেনীয় সেনাদের নতুন সংঘর্ষকে মস্কো সামরিক অভিযানের সেই অজুহাত হিসেবে তুলে ধরতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহরগুলো থেকে লোকজন সরিয়ে নিতে শুরু করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। কিয়েভ সরকার তাদের বিরুদ্ধে যেকোনো সময় আক্রমণ চালাতে পারে অভিযোগ করে বেসামরিক নাগরিকদের রাশিয়ায় আশ্রয় নিতে বলেছেন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতারা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি