২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

আজ কে বি এন্টার প্রাইজ এর পক্ষ গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে সাবান বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এম আহসানুর রহমান ইমন:  যশোর বেনাপোল এ কেবি এন্টার প্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী বিশিষ্ট সমাজ সেবক কামরুজ্জামান বাবলু এর  নির্দেশে  নামাজ গ্রাম ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাজু”র  সার্বিক দিক নির্দেশনায় , ও যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শিমুল হোসেন, সহ-সভাপতি এম আহসানুর রহমান ইমন , ছাত্রলীগ নেতা ভুবন, নূরনবী , তুহিন  আর অনেক এ বেনাপোল নামাজ গ্রাম ওয়ার্ড সকল গরীব দুঃখী মানুষের করোনা ভাইরাস  সচেতনতার  বৃদ্ধির লক্ষে সাবান বিতরণ করা হয়।
এসময় কামরুজ্জামান বাবলু বলেন,প্রিয় দেশবাসী, সবার কাছে বিশেষ অনুরোধ – জ্বর, ঠান্ডা,কাশির রোগীরা বাসায় বসে চিকিৎসা নিন… হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকুন….সদর হাসপাতালে বা চেম্বারে ভীড় করে অন্যদেরকে ঝুঁকির মুখে ফেলবেন নাহ…
উপদেশ:
★ ঘরে অবস্থান করুন….
★ প্রচুর পানি পান করুন….
★ সবুজ ফলমূল খান….
★ মাস্ক ব্যবহার করুন….
★ হ্যান্ডশেক, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন…
★ পরিষ্কার – পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন….
ইনশাআল্লাহ এমনিতেই সেরে যাবে….  রোগ যাতে না ছড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখুন, রোগ প্রতিরোধ করুন..
এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি