১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

অবশেষে বেনাপোল পোর্টথানার বির্তকিত এস আই হাবিব ও মনির কে বদলী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: অবশেষে বহু বির্তকিত ঘটনার নায়ক যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই শরীফ হাবিবুর রহমান ও এসআই মনির হোসেনকে সাতক্ষীরা জেলায় বদলী করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।

বহু বির্তকিত ঘটনার স্বাক্ষী এই দুই এসআই বেনাপোল পোর্ট থানায় দীর্ঘদিন থাকার পর সাধারন মানুষের সাথে একটা সক্ষতা গড়ে উঠলে ও পরে তা মাদক বিক্রেতা ও সাধারন মানুষের হয়রানী করার মধ্যে দিয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠে তাদের বিরুদ্ধে । বেনাপোল সীমান্ত কবলিত এলাকা হওয়ার কারনে মাদকের পক্ষে হয়ে কাজ করে বিপুল পরিমান অবৈধ অর্থ আয় করে আসছিল এই বির্তকিত দুইজন এসআই হাবিব ও মনির। মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদেরকে অর্থের বিনিময়ের ছেড়ে দেয়া সহ তাদের বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে স্থানীয়রা বহুবার টেলিভিশন,পেপার পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালে লেখার অভিযোগের মাধ্যমে পুলিশের উর্দতন কর্মকর্তাদের কাছে দৃষ্টি আর্কষন করেও কোন ধরনের সুফল পাওয়া যাচ্ছিলনা। তবে তারা বার বার অর্থের বিনিময়ে জেলার সেরা এস আই নির্বাচিত হলেও তাদের কু-কর্মগুলি পুরস্কারের আড়ালে থেকে যায়। সাধারন মানুষ অভিযোগ করে বলেন দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করলেই তবেই বেড়িয়ে আসবে তাদের সম্পদের ফিরিস্তি ও অল্পতে কোটিপতি বনে যাওয়া এই এসআই মনির হোসেন ও শরীফ হাবিবুর রহমানের।

বেনাপোল পোর্ট থানার সাদিপুর গ্রাম থেকে মাদক বিক্রেতা মহিলার নিকট থেকে ৩ লাখ ও নিরীহ ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে হাজত খানা থেকে ছেড়ে দেওয়া নিয়ে জেলার পুলিশ সুপারের কাছে এই নিয়ে বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন করা হলে অবশেষে দৃষ্টি পড়ে পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের। এর সুবাধে এক সপ্তাহের পূর্বে এক প্রজ্ঞাপনে তাদেরকে সাতক্ষীরা জেলায় বদলী করা হয়েছে বলে বেনাপোল পোর্ট থানা সুত্রে জানা গেছে।

এদিকে দুইজন এসআই এর বদলী খবর বেনাপোল এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষরা স্বস্থির নিশ্বাস ফেলে। বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনর্চাজ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বদলীর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি