1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কেশবপুরের মানবিক ডাক্তার কামরুজ্জামান। বিলাইছড়িতে পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা । বেনাপোলে ধানক্ষেত থেকে মৃতদেহ উদ্ধার। ভেড়ামারায় প্রাইভেট হাসপাতালে মালিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার। সাংবাদিক আরিফুর রহমানের ভাইয়ের মৃত্যুতে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক। ​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন। কেশবপুরে ৩দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলা সমাপ্ত। খুলনা নতুন বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন। সুন্দরবনে নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকারকালে ৩জেলে সহ নৌকা আটক । অবৈধ কর্তন নিষিদ্ধ সুন্দরী কাঠ পাচারকালে ৪ জেলে আটক ।

সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন সেতু,পাঁচ বছরেও হয়নি সংস্কার।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১
  • ১৮৪ বার পঠিত

শেখ আবদুল্লাহ আনোয়ারা(চট্রগ্রাম) প্রতিনিধি ।

 

সেতুটিতে ওঠা-নামার জন্য ব্যবহার হয় বাঁশের সাঁকো । ২০১৫ সালে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে বৃষ্টি ও শঙ্খের জোয়ারের পানি ওঠা-নামা করায় উভয় পাশ থেকে মাটি সরে গেছে সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সেতুটি। এরপর থেকে সড়ক ও সেতুর কোনো সংস্কারের ছোঁয়াও লাগেনি।চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়ন অংশে দেড় কিলোমিটার ও জুঁইদণ্ডী ইউনিয়ন অংশের আধা কিলোমিটার সড়কের দুই ইউনিয়নের মাঝামাঝি শাহ মোহছেন আউলিয়া খালের ওপর লাল মোহাম্মদিয়া সড়কে ভাঙা সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ ফুট।সড়ক ও সেতুর বেহাল দশায় স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় কৃষকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে ২০০৮ সালের দিকে বরুমচড়া ইউনিয়ন পরিষদ সওদাগর দীঘিরপাড় থেকে খুরুস্কুল পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়কটিতে ইট বিছানো হয় এবং ওই সড়কের সেতুটি পাকা করা হয়।

 

স্থানীয়রা জানান,এই দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম এটি। ২০১৫ সালে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে সেতুটি ভেঙে পড়ে সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সেতুটি। বর্ষায় সেতুটির দুপাশের মাটি ভেঙে খালে বিলীন হয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে সেতুতে ওঠানামার জন্য বাঁশের সাঁকো দিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে বেহাল হয়ে পড়েছে পাঁচ কিলোমিটার দৈর্ঘের লাল মোহাম্মদিয়া সড়কটিও। সড়ক ও সেতুর বেহাল দর্শায় স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় কৃষকদেরও চলাচল করতে হয় ঝুঁকি নিয়ে। অনেক বৃদ্ধরাও সেতুতে ভয়ে পার হতে পারে না। ফলে দুর্ভোগে পড়েছে দুই ইউনিয়নের হাজারো বাসিন্দাদের।

 

সোয়াইফুর ইসলাম নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে বৃষ্টি ও শঙ্খের জোয়ারের পানি ওঠা-নামা করায় সড়কের একমাত্র সেতুটির উভয় পাশ থেকে মাটি সরে গেছে। এ কারণে সেতুটির ওপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। লোকজন যাতে চলাচল করতে পারে সে কারণে কয়েকজন মিলে দুপাশে বাঁশের সাঁকো করছি। এতে দুর্ভোগে পড়েছে দুই ইউনিয়নের হাজারো বাসিন্দা। এ সড়ক ও সেতুটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।

 

বরুমচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন,আনোয়ারায় সড়ক ও সেতু সংস্কারের টেন্ডার হলে এটাই প্রথম হবে।প্রকৌশলী সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলা হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই বরাদ্দ এলে কাজ শুরু হবে।

 

উপজেলা প্রকৌশলী তাসলিমা জাহান বলেন, লাল মোহাম্মদিয়া সড়ক ও সেতু চলাচলের অযোগ্য হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলা হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই বরাদ্দ এলে কাজ শুরু হবে।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জামিরুল ইসলাম বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রথমে আছে সেতুটি।নতুন করে সেতু নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাবে সেতুটি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT