1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাঁজিয়া পূরবী খেলাঘর আসরের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা। শ্যামনগরে গ্রাম পুলিশ ও বাজার ব্যাবস্থাপনা সদস্যদের বর্জ্য ও স্যানিটেশন সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ। কেশবপুর এস এস,সি-৮৬ বন্ধু কল্যাণ ফোরামের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ। বিলাইছড়িতে ডাউন পাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির  প্রাক নিবন্ধন সভা  অনুষ্ঠিত। সুন্দরবন অভ্যন্তর থেকে ৪৫০ কেজি কাঁকড়া ও ১৫০ কেজি মাছ সহ ২ জেলে আটক। কেশবপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভেড়ামারায় শ্রী শ্রী রঘুনাথ জিউর মন্দিরে উৎসবমুখর পরিবেশে শুভ রথযাত্রা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে ভুয়া ইনকাম ট্যাক্স কর্মকর্ত আটক। কেশবপুরে জুলাই শহিদ দিবস পালিত। বিলাইছড়িতে নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে  বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ।

মধুপুরে বাল্য বিয়ে বন্ধ ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
  • ৩৪৬ বার পঠিত

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও’র) হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেলেন ৮ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। ২৮জুলাই বুধবার বিকালে টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন দক্ষিণ বোয়ালী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীন বিয়ের আয়োজন স্থগিত করে বর ও কনে পক্ষকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সার্টিফিকেট সহকারি খন্দকার মোকাদ্দেস আলী জানান, উপজেলার স্থানীয় একটি মাদরাসার ৮ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সাথে ঘাটাইল উপজেলার রামপুর গ্রামের হাছান আলীর ছেলে আজিজুল খানের বিয়ের আয়োজন করা হয়। সংবাদ পেয়ে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন বোয়ালী গ্রামে মেয়ের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বিয়ের আয়োজন স্থগিত করেন। কঠোর লকডাউনের সময় বাল্য বিয়ে নিরোধ আইন লঙ্ঘনের দায়ে বর পক্ষকে ৩০ হাজার টাকা এবং কনে পক্ষকে ১০ হাজার মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। টাঙ্গাইল জেলায় বাল্য বিবাহ সংগঠিত জরিপে ১ম স্থানে রয়েছে মধুপুর উপজেলা। তবে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন মধুপুরে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। তিনি মধুপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই বাল্য বিবাহ অনেকাংশেই কমে গেছে।
অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলে মেয়েদের অভিভাবকগনকে তিনি বুঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে অল্প বয়সে বিয়ে হলে সেই সংসার কোন দিনও আলোর মুখের সন্ধান পাবেনা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ের বিয়ে দিলে সেই মেয়ের জীবনও থাকে ঝুঁকি মধ্যে।
দিন বা রাত যখনই তিনি জানতে পারেন কোথাও বাল্যবিবাহ সংগঠিত হচ্ছে সাথে সাথে সেখানে উপস্থিত হয়ে তা বন্ধ করে উভয় পক্ষকে জরিমানাসহ বিয়ে বন্ধ করে জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT