
পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি।
দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে যশোরের কেশবপুরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। কেশবপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন বুড়িভদ্রা নদীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৬ টি পাটাবাধ উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসময় আরও ১০০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ৩০০০ মিটার চায়না দুয়ারী জাল আটক করে জন সম্মুখে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
শণিবার (১০ অক্টোবর-২৬) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে কেশবপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন বুড়িভদ্রা নদীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৬ টি পাটাবাধ উচ্ছেদ করা হয়ে। এসময় আরও ১০০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ৩০০০ মিটার চায়না দুয়ারী জাল আটক করে জন সম্মুখে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন-এর দিক নির্দেশনায় উক্ত মোবাইল কোর্টে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদীপ বিশ্বাস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুর রহমান শেখ, উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার মিয়াজান আলী, কেশবপুর থানার এ এস আই সঞ্জয় বিশ্বাস-সহ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদীপ বিশ্বাস জানান, পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন বুড়িভদ্রা নদীতে অবাধে অবৈধভাবে পাটাবাধ, কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে মাছ ধরা হচ্ছে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নদীর পানি থেকে আনুমানিক তিন হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত ১০০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ৩০০০ মিটার চায়না দুয়ারী জাল আটক করে জন সম্মুখে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, জলাশয়ে অবাধে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করায় দেশীয় মাছের প্রজনন ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি দেশীয় মাছ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। অবৈধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। দেশীয় মাছ ও জলজ সম্পদ রক্ষায় সবাইকে আইন মেনে মাছ ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল নদীতে অবৈধ জাল দিয়ে ছোট মাছ ও পোনা নিধন বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
ছবিঃ
১০/১০/২৬