1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।  হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে লীজ কৃত জলাশয়ে মাছ শিকারে বাঁধা দেওয়ায় হামলার ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু। কেশবপুরের মজিদপুরে পুলিশ ও স্থানীয়দের যৌথ উদ্যোগে ‘ভিলেজ ডিফেন্স কমিটি’ গঠন। প্লাস্টিক-পলিথিনের দূষণ রোধে শ্যামনগরে শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা। মনিরামপুরে পানিবন্দি মানুষের মাঝে ঢাকাস্থ মনিরামপুর সমিতির ত্রান সামগ্রি বিতরণ ও মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ। শ্যামনগর ত্রিপানি বিদ্যাপীঠের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইন্দ্রজীত মন্ডল। কেশবপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত। জেলা অভিভাবক দীপন তালুকদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন বিলাইছড়ি উপজেলা জাসাস। যশোর মুক্তেশ্বরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের মাসিক সাহিত্য সভা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা। বেনাপোল পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল পৌরসভায় রূপান্তরের প্রত্যয়।

কেশবপুরে ড্রেজারের থাবায় নদীতে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, অসহায় মানুষের আর্তনাদ!

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ৮৯ বার পঠিত

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি।

​যশোরের কেশবপুরে হরিহর নদী খননে ড্রেজারের থাবায় নদীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, অসহায় মানুষের আর্তনাদ! বিলীন হয়ে যাচ্ছে একের পর এক পাকা ভবন। নদীর অপরিকল্পিত খননের কারণে তীরবর্তী বসতবাড়িগুলো আজ হুমকির মুখে। ড্রেজার দিয়ে নদী কাটার সময় এক কুলে বেশি চাপিয়ে দেওয়ার ফলে মাটি ধসে পাকা বিল্ডিং ভেঙে নদীতে পড়ে যাচ্ছে। বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, অসহায় মানুষের আর্তনাদ!
কেশবপুরের ঐতিহ্যবাহী হরিহর নদী পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে সরকারি অর্থায়নে বর্তমানে নদী খননের কাজ চলমান রয়েছে। নদীকে সচল ও নাব্য করার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু মাঠপর্যায়ের একটি বাস্তব চিত্র এখন স্থানীয় সাধারণ মানুষকে ভাবিয়ে তুলছে।
নদী থেকে যে মাটি বা কাদা উত্তোলন করা হচ্ছে, তা নদীর একদম তীর ঘেঁষেই স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে, সেই স্তূপীকৃত মাটি ধসে এবং বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে পুনরায় নদীর গর্ভে ফিরে যাচ্ছে।
​নদী খননের মতো এত বড় একটি মেগা প্রকল্পে যদি উত্তোলিত মাটি অপসারণের জন্য কোনো স্থায়ী বা নিরাপদ ডাম্পিং জোনের ব্যবস্থা না থাকে, তবে এই বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের সঠিক সদ্ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। এটিকে কাজের ব্যর্থতা না বললেও, মাঠ পর্যায়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অভাব হিসেবেই দেখছেন সচেতন মহল।
খননকৃত মাটি যদি নদী পাড় থেকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া না হয় বা মাটি ধসে পড়া রোধে কার্যকর বাঁধ বা ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে নদী খননের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হতে পারে।
​জনগণ আশা করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও তদারকির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ মাঠপর্যায়ের এই টেকসই সংকটের বিষয়টি আমলে নেবেন। কোটি কোটি টাকার এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পকে পুরোপুরি সফল করতে দ্রুত মাটি অপসারণ বা সুরক্ষার সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপের কথা বলেছেন। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তাদের ব্যক্তিমালিকানা জমি হারিয়ে এখন অসহায় এবং মানবেতর জীবনযাপন করছে।
​কেশবপুরের হরিহর নদ খননে ক্ষতিগ্রস্থ বালিয়াডাঙ্গা এলাকার বাড়ি ঘর দেখতে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন। তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের প্রতি শান্তনা এবং তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
​ভূক্তভোগি জনগণ কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন যাতে আরও মানুষের বাড়িঘর রক্ষা করা যায় এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়।
ছবিঃ
১০/০৭/২৬

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT