
পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি।
কেশবপুর-মনিরামপুর এবং সাতক্ষীরার তালা ও খুলনার ডুমুরিয়ার ১০ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে উদ্ধারে রাত-দিন কাজ করছে সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। হঠাৎ বৃষ্টিতে কেশবপুর পৌর এলাকায় একাধিক স্থানে সদ্য খনন করা নদীর পাড় ধসে পড়ায় বাসিন্দাদের বসতঘর, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান রক্ষায় প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পাউবো কাজ করে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই-২৬) দুপুরে ঘটনাস্থলে দেখা যায়, হরিয়ার নদীর কেশবপুর পৌর এলাকা বালিয়াডাঙ্গা অংশে পাড় ধসে পড়া এলাকার বাড়িঘর রক্ষায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ৬ মিটার বল্লী বসিয়ে সাথে ডাউন সিট স্থাপন করে বাড়িঘর রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
কেশবপুরে নদী খননের সময় বালিয়াডাংগা এলাকায় ৪-৫টি বাড়ি ভেঙে যেতে পারে এমন খবর পেয়ে বৃষ্টির মধ্যে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রশংসায় ভাসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন। ভাঙ্গন কবলিত এলাকা ঘুরে দেখে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়ান।
পাউবো যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জি জানান, কেশবপুর পৌরশহরে মধ্যদিয়ে প্রবাহিতা হরিহর নদীর বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় ১৩০ মিটার জায়গায় মাটির মান খারাপ থাকায় খনন পরবর্তী ধ্বসে যাওয়ায় তাৎক্ষণিক সেনাবাহিনীর সহায়তায় বল্লি পুতে পাড় রক্ষার কাজ চলছে।
উল্লেখ্য, ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা দূর্বীকরণ ও পানি নিষ্কাসন করার জন্য ১৪০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ৬ টি নদীর ৮১.৫০০ কিলোমিটার নদী পূনঃখনন কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক চলমান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় হরিহর নদীর খনন কাজ চলমান। প্রকল্পের কাজ শেষের মেয়াদ আছে জুন-২৭। বৃষ্টি কাল শুরু হওয়ায় কাজের এখনো বাকি ৩৭ শতাংশ আগামী বছর শুষ্ক মৌসুমে শেষ করা হবে।
ছবিঃ
০৮/০৭/২৬