1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৩ জন আহত। মণিরামপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোচবিলের কৃষক ও ঘের মালিকদের বিরোধের অবসান। সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ সময়ে মাছ শিকার আটক  ৫ জেলে কারাগারে । কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। শ্যামনগরে তিনদিনব্যাপী নজরুল বর্ষ উদযাপনের সমাপনী। মণিরামপুরে চেকের আলাদা মামলায় প্রধান শিক্ষক জামালের আবারও ১ বছরের জেল। কেশবপুরে বিনামূল্যে দরিদ্রদের সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার, বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জনগণের উন্নয়নে পাশে দাঁড়াতে হবে এমপি, ফজলুল হক মিলন। শ্যামনগরে এইচএসসি,আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ম দিনে অনুপস্থিত অর্ধশত।

মণিরামপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোচবিলের কৃষক ও ঘের মালিকদের বিরোধের অবসান।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের মণিরামপুরে আলোচিত কোচবিলের মৎস্য চাষী ঘের মালিক ও কৃষকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। অবশেষে উপজেলা প্রশাসন সরেজমিন গিয়ে দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের অবসানের চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। কৃষকদের দাবি মৎস্য ঘেরের বাধেঁর চারিদিক দিয়ে ক্যানেল (ছোট খাল) কাটতে হবে। কৃষকদের এ দাবী মেনে নিয়েছে ঘের মালিকরা। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের তত্যাবধানে ঘেরের ক্যানেল কাটার কাজ চলছে। কৃষকরা আশা করছে এবার খাল সং¯কার ও ও ঘেরের ক্যানেল কাটার কারণে আমন ধানের চাষ করতে কোন সমস্যা হবে না।
সূত্রে জানাযায়, মণিরামপুর উপজেলার আলোচিত জয়পুর কোচবিলের ঘের মালিক ও কৃষকের মধ্যে দীর্ঘ দুই বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। উপজেলা প্রশাসন কোন সিন্ধান্ত দিতে না পারাই দু’পক্ষ দীর্ঘদিন ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। ঘের মালিক এনামূল ২২ এপ্রিল ২৬ ইং তারিখে ঘেরে মাছ চাষ করার মতো উপযোগী না থাকায় সংস্কার করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাছে আবেদন করেন। নির্বাহী অফিসার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাছে দায়িত্ব দেন। তিনি সরেজমিন তদন্তের জন্য দায়িত্ব প্রদান করেন ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম কে। তিনি জয়পুর কোচবিলে সরেজমিন কৃষক ও ঘের মালিকদের সাথে আলোচনায় বসে উভয়ের কথা শোনেন এবং কৃষকদের দাবি প্রতিটি ঘেরের চার পাশ দিয়ে ক্যানেল কাটতে হবে। সে কথা ঘের মালিকরা মেনে নেই। অন্য দিকে খাল (সংস্কার) খনন ও ঘেরের ক্যানেল কাটার কারণে কৃষক মনে করছে এবছর আমন ধান চাষ করলে ভালো ফলন হবে।
জয়পুর গ্রামের কৃষক কাদের গাজী ও রাজু জানায়, আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি উপজেলা প্রশাসন সুন্দর একটি সমাধান করে দিয়েছে। আশা করছি এবছর আমন ধানের চাষ করতে আর সমস্যা হবে না।
ঘের মালিক ইনামুল জানায়, আইনকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কৃষকের জমির ফসলের কোন ক্ষতি না হয় সে খেয়াল রেখে আমিসহ ঘেরের অন্যান্য মৎস্য চাষীরা ক্যানেল কাটার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জনান, এসিল্যান্ড সার আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন আমি সে মোতাবেক সরেজমিন গিয়ে কৃষক ও ঘের মালিকদের আলোচনা করে একটি সুন্দর সমাধানে আসি। সে মোতাবেক স্যারের অফিসে রিপোট দাখিল করি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মাহির দায়ান আমিন জানান, আমি একটি অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার সকালে জয়পুর কোচবিলের কৃষক ও ঘের মালিকদের সাথে কাথা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে পানি নিস্কাশনের স্থান গুলো কিছু কৃষক ভেড়ি বেধে পানি নিস্কাশনের বাঁধা সৃষ্টি করছে। ঘের মালিক এনামুলকে যে ভাবে বলা হয়েছিলো সে ভাবে ক্যানেল কেটেছে। কোচবিলে আরো একটু সমস্যা আছে সে গুলো আমি আবার সেখানে সেগুলোর সমাধান করার চেষ্টা করবো।

নূরুল হক
মনিরামপুর, যশোর।

তারিখ-০৪/০৭/২০২৬ইং

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT