1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিপিএল সিজন ৫ এর ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত। কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানকৃত তিন জন ডাক্তারের সম্মানে সংবর্ধনা। কেশবপুরে বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ। শ্যামনগরে ৩য় শ্রেণী কর্মকর্তা/কর্মচারী কল্যাণ সংস্থার  সভাপতি গোলাম রব্বানী ও সম্পাদক  আকবর । নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগোচ্ছেন এমপি ফজলুল হক মিলন আধুনিক কালীগঞ্জ গড়তে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যোগাযোগে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প। কেশবপুরের ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন। রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা।

ঢাকার কড়াইল বস্তিতে হবে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ২১০ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০ মার্চ ঢাকার কড়াইল বস্তিতে বহুল আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা বগুড়া থেকে এই কার্ড বিতরণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষিত হওয়া সেই ভেন্যু পরিবর্তন করে মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বগুড়া সদর আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সেখানে প্রধানমন্ত্রী গেলে আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে। তাই ঢাকায় কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ১০ মার্চ সকালে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন হবে। সারা দেশের আর ১৪টি স্থানে এটা পাইলটিং করা হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় কার্ড উদ্বোধন করবেন। উচ্চবিত্ত আর মধ্যবিত্ত কোনো সুবিধা পাবে না, কিন্তু তারা কার্ড পাবে।

কতজন সুবিধাভোগীকে এই কার্ডের আওতাভুক্ত করা হয়েছে—জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘কাজ চলমান। সংখ্যাটা সময়ে সময়ে বাড়বে, কমবে। কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি ও ভাষানটেক বস্তি—এখানে ৪৪ হাজার হাউসহোল্ডার রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা মাঠের তথ্য সংগ্রহ করে এন্ট্রি দিচ্ছেন। মূল পরিকল্পনার চেয়ে ছয় গুণ বেশি কার্ড লাগছে। অন্য একটা উপজেলায় হয়তো ৭০০ থেকে এক হাজারের মতো হাউসহোল্ডার আছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ১৫ হাজারের বেশি, খুলনার খালিশপুরে ৬০ হাজারের বেশি হাউসহোল্ডার রয়েছ। আবার ভোলার চরফ্যাশনে সাড়ে ৭০০, বান্দরবানের লামায় সাড়ে ৫০০ হাউসহোল্ডার রয়েছে। তাই সঠিক সংখ্যাটা আরও পরে বলতে পারব।’

ফ্যামিলি কার্ডের কার্যকারিতা প্রসঙ্গে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এই ফ্যামিলি কার্ড হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্তরা পাবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে নারী যেমন ক্ষমতায়িত হবেন, তেমনি মা তাঁর বাচ্চাদের পড়াশোনা ও পুষ্টির জন্য সেই অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। এই সুবিধা চলমান প্রক্রিয়া। নিম্নবিত্ত একসময় মধ্যবিত্ত হবে আবার একজন উচ্চবিত্ত হয়তো নিম্নবিত্ত হয়ে যেতে পারেন। সুতরাং, এই কার্ডের উপকারভোগী হয়তো একদিন কমবে বা পরিবর্তন হবে। মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়লে কার্ডের সুবিধাভোগীর সংখ্যা আস্তে আস্তে কমবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT