1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সংলাপ। মণিরামপুরে ৩০ প্রান্তিক নারীকে ১০ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ ও অর্থ প্রদান করা হয়। কালীগঞ্জে ১৮০০ প্রান্তিক  কৃষকের মাঝে বীজ, সার বিতরণ। শ্যামনগরে একটি দোকানের ভিতর থেকে বড় অজগর সাপ উদ্ধার। সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি । বিলাইছড়িতে কৃষি অফিস কর্তৃক চারা বিতরণ । শ্যামনগরে সমন্বিত পানি সম্পদ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অর্ধবার্ষিক অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা। বিলাইছড়িতে করলিয়া প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সহনশীলতা পরিকল্পনার প্রচারণা সভা । ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর নুতন কমিটির সভাপতি মুফতী রেজাউল করিম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান। যশোরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বশীল শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত।

ঢাকার কড়াইল বস্তিতে হবে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৯ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০ মার্চ ঢাকার কড়াইল বস্তিতে বহুল আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা বগুড়া থেকে এই কার্ড বিতরণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষিত হওয়া সেই ভেন্যু পরিবর্তন করে মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বগুড়া সদর আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সেখানে প্রধানমন্ত্রী গেলে আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে। তাই ঢাকায় কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ১০ মার্চ সকালে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন হবে। সারা দেশের আর ১৪টি স্থানে এটা পাইলটিং করা হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় কার্ড উদ্বোধন করবেন। উচ্চবিত্ত আর মধ্যবিত্ত কোনো সুবিধা পাবে না, কিন্তু তারা কার্ড পাবে।

কতজন সুবিধাভোগীকে এই কার্ডের আওতাভুক্ত করা হয়েছে—জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘কাজ চলমান। সংখ্যাটা সময়ে সময়ে বাড়বে, কমবে। কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি ও ভাষানটেক বস্তি—এখানে ৪৪ হাজার হাউসহোল্ডার রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা মাঠের তথ্য সংগ্রহ করে এন্ট্রি দিচ্ছেন। মূল পরিকল্পনার চেয়ে ছয় গুণ বেশি কার্ড লাগছে। অন্য একটা উপজেলায় হয়তো ৭০০ থেকে এক হাজারের মতো হাউসহোল্ডার আছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ১৫ হাজারের বেশি, খুলনার খালিশপুরে ৬০ হাজারের বেশি হাউসহোল্ডার রয়েছ। আবার ভোলার চরফ্যাশনে সাড়ে ৭০০, বান্দরবানের লামায় সাড়ে ৫০০ হাউসহোল্ডার রয়েছে। তাই সঠিক সংখ্যাটা আরও পরে বলতে পারব।’

ফ্যামিলি কার্ডের কার্যকারিতা প্রসঙ্গে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এই ফ্যামিলি কার্ড হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্তরা পাবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে নারী যেমন ক্ষমতায়িত হবেন, তেমনি মা তাঁর বাচ্চাদের পড়াশোনা ও পুষ্টির জন্য সেই অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। এই সুবিধা চলমান প্রক্রিয়া। নিম্নবিত্ত একসময় মধ্যবিত্ত হবে আবার একজন উচ্চবিত্ত হয়তো নিম্নবিত্ত হয়ে যেতে পারেন। সুতরাং, এই কার্ডের উপকারভোগী হয়তো একদিন কমবে বা পরিবর্তন হবে। মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়লে কার্ডের সুবিধাভোগীর সংখ্যা আস্তে আস্তে কমবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT