1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ চাষ করার অপরাধে এক ব্যক্তির জরিমানা। কালীগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ। বিলাইছড়িতে বিএফডিসি’র অভিযানে ৪ নৌকা ও ২০ হাজার ফুট বর্গফুট জাল জব্দ।  কেশবপুরে তিন দিনব্যাপী ফল মেলা-২০২৬ উদ্বোধন। ভাল কাজ করতে গিয়ে অপ্রিয় হলেও করবেন। আমি সর্বাত্মক সহযোগীতা করবো-এমপি, ফজলুল হক মিলন। খুলনা মহানগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক আটক। শ্যামনগরে বনবিভাগের অভিযানে ৭০ বস্তা ঝিনুক সহ ট্রাক আটক। বিলাইছড়ি উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচী চলমান । বিলাইছড়িতে সেচ্ছাসেবক দলের নিজ উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ । কেশবপুরে ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ /ধর্ষক গ্রেফতার।

ঘুর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ মোকাবেলায় খুলনায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৫৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

ঘুর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ মোকাবেলায় খুলনা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা আজ (সোমবার) বিকালে খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক বলেন, খুলনার উপকূলীয় এলাকার মানুষকে ঘুর্ণিঝড় সিত্রাং সম্পর্কে সচেতন করতে মাইকের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসতে হবে। দুর্যোগকালে টেলিফোন, বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রস্তুত থাকতে হবে। খুলনার কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছা উপজেলার প্রতি অধিক নজর দেয়া প্রয়োজন।

সভায় জানানো হয়, ঘুর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ মোকাবেলায় খুলনা জেলার উপকূলীয় এলাকার পাঁচশত ৪৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যার মধ্যে দাকোপে ১১৮টি, বাটিয়াঘাটায় ২৩টি, ডুমুরিয়ায় ২৫টি, কয়রায় ১১৮টি, পাইকগাছায় ১০৮টি, তেরখাদায় ২২টি, রূপসায় ৩৮টি, ফুলতালায় ২৫টি ও দিঘলিয়া উপজেলায় ৭১টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। যে কোন দুর্যোগ পরিস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোয় মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন। জেলার প্রতিটি উপজেলায় ৫টি এবং প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মোট ১১৬টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালগুলোর জরুরি বিভাগে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানের জন্য ডাক্তার, সেবিকা, ঔষধপত্র ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

দুর্যোগকালে সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য পাঁচ হাজার দুইশত ৮০ জন সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক সজাগ অবস্থায় আছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া স্যালাইন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যেগুলোর প্রতিটির মাধ্যমে চার হাজার মানুষকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করা সম্ভব। বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র জনসাধারণের উদ্দেশ্যে নিয়মিত বিরতিতে আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রচার করছে। দুর্যোগকালীন যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় নৌবাহিনী, পুলিশ, আনসার, ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা প্রস্তুত আছেন। এছাড়া দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণকক্ষে ফোন নম্বর-০২৪-৭৭৭২৬৫৯২ ও মোবাইন নম্বর-০১৩২২৮৭৫৫৫০।

সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাববুব হাসান, সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাদিকুর রহমান খানসহ সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT