1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পশ্চিম সুন্দরবনে অভয়ারাণ্য এলাকায় মাছ ধরার অভিযোগে চার জেলে আটক। বেনাপোল পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল পৌরসভায় রূপান্তরের প্রত্যয়। বিলাইছড়িতে কুতুব দিয়া সদ্ধর্মোদয় বৌদ্ধ বিহারে মধুপূর্ণিমা উপলক্ষে সংঘদান অনুষ্ঠিত। সদ্য খননকৃত হরিহর নদের পাড় ধ্বসে মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার বহুতল ভবনে ফাঁটল। কয়রার কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ে নবীন বরণ। কেশবপুরে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের ৬ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না-এমপি ফজলুল হক মিলন। বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণ। বিপিএল সিজন ৫ এর ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত। কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানকৃত তিন জন ডাক্তারের সম্মানে সংবর্ধনা।

সদ্য খননকৃত হরিহর নদের পাড় ধ্বসে মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার বহুতল ভবনে ফাঁটল।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

নূরুল হক, মণিরামপুর প্রতিনিধি:

মণিরামপুর পৌরশহরে হরিহর নদের তীরে অবস্থিত ‘মণিরামপুর ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা’র বহুতল ভবনে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। সদ্য খননকৃত নদের পাড় ধ্বসে পানির চাপে মাদ্রাসার বহুতল ভবনের বেইজের মাটি সরে যাওয়ায় ভবনটি হেলে পড়েছে। তার ওপর ভবনের বিম, দেওয়াল, মেঝেসহ বিভিন্ন স্থানে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। ফলে ভবনটি যেকোন মুহুর্তে নদীগর্ভে ধ্বসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ দিকে নিরাপত্তার কথা ভেবে শিক্ষার্থীদের অন্যত্র পাঠদান করা হচ্ছে।
জানাযায়, পৌরশহরের মোহনপুরে হরিহরনদের তীরে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় মণিরামপুর ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসাটি। সেই থেকে দ্বিতল একটি ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছিল। তবে দিন দিন শিক্ষার্থী বৃদ্ধির কারণে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ২০১২ সালে পাঁচতলা ফাউন্ডেশনের একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। পরবর্তিতে ২০২২ সালে ভবন সম্প্রসারন করে দুই ও তিনতলা নির্মাণ করা হয়। এ ভবনের প্রথম তলায় প্রশাসনিক দপ্তর এবং দুই ও তিন তলায় শ্রেণিকক্ষ সমুহে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছিল। এ ভবনের পিছনে হরিহর নদ প্রবাহিত। গত জানুয়ারি মাসে নদটি পুন:খনন করা হয়। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল্লাহ জানান, নদের পাড়টি ভেঙ্গে মাদ্রাসা ভবনের পিছনের বেইজ থেকে মাটি সরে গেছে। ভবনটি ইতোমধ্যে নদের দিকে হেলে পড়েছে। তার ওপর ভবনের মেঝে, দেওয়াল, বিম ও ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে। সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন মঙ্গলবার ভবনটি পরিদর্শন শেষে জানান, ক্ষতিগ্রস্থ মাদ্রাসা ভবন সম্পর্কে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
খবর পেয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী হাদিউজ্জামান খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা বুধবার সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, মাদ্রাসা ভবনের পিছনে নদের পাড়টি স্লোপ না করায় পানির চাপে সেটি ভেঙ্গে গিয়ে ভবনের বেইজের মাটি সরে পড়েছে। ফলে বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেওয়ায় ভবনটি অধিক ঝুকিপূর্ণ ঘোষনা করা হয়েছে। তিনি জানান, জরুরী ভিত্তিতে প্যালাসাইটিং করে পাড়টি পুন:নির্মাণ করতে হবে। আর এ জন্য বরাদ্দ চেয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অদিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করা হয়েছে। মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি সহকারি অধ্যাপক মুহিবুল্লাহ মনু জানান, নিরাপত্তার কথা ভেবে এ ভবন থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে অন্যত্র পাঠদান করা হচ্ছে। এ বাপারে জানতে পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জীকে একাধীকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আশরাফুল আলম জানান, এ মুহুর্তে প্যালাসাইটিং করে ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ পুন:নির্মাণ করতে হবে।

নূরুল হক
মণিরামপুর, যশোর।

তারিখ-২৪/০৯/২০২৬ইং

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT