1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
খুলনাতে অস্ত্র ও গুলির চালান সহ নারী আটক। জেলা পরিষদ সদস্য দায়িত্ব পেলে বিলাইছড়ি উপজেলা হবে উন্নয়নের রোল মডেল । হুমকির মুখে নওয়াপাড়া নদী বন্দর। খুলনা মহানগর যুবলীগ নেতা শওকত হোসেনকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার। জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলোচনায় জয়সিন্ধু : একবার সুযোগ দিলে আনবে উন্নয়নে গতি। খুলনার ডাকবাংলা মোড়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত -১। নিখোঁজ ব্যবসায়ী সূজনকে রহস্যজনকভাবে উদ্ধার ঢাকার কড়াইল বস্তিতে হবে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন। বিলাইছড়িতে  ইউএনও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। খুলনার দিঘলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা আহত -৩।

লালমনিরহাটে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৩৩ বার পঠিত

লালমনিরহাটে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিম্মায় থাকা অবস্থায় মৃত্যু ঠেকাতে আইন প্রণয়ন করা হলেও বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা থেমে নেই। তবে ওই আইনটি অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। শুক্রবার লালমনিরহাটে পুলিশ হেফাজতে একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন–২০১৩ অনুযায়ী, এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করার সুযোগ আছে, কিন্তু পরিবার মামলা করেনি। এর কারণ যে ভয় অথবা চাপ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আইন থাকলেও এর প্রয়োগ না থাকার বড় দৃষ্টান্ত এসব ঘটনা।

এখানেই কিন্তু মানবাধিকার সংগঠনের ভূমিকা, যা দিন দিন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীর পাশে না দাঁড়ালে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কাজ কী? জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থাকলেও এমন অমানবিক ঘটনায় তাদের সেই অর্থে কিছু করণীয় নেই। কারণ, আইন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করার এখতিয়ার মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়নি। লম্বা প্রক্রিয়া শেষে কমিশন হাইকোর্টে রিট আবেদন করতে পারে, তবে সেই মামলা চালানোর মতো সক্ষমতাও কমিশনের নেই।

শুক্রবার লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পূর্ব কাদমা মালদহপাড়া গ্রামের হিমাংশু চন্দ্র রায় (৩৫) হাতীবান্ধা থানার হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে।

নির্যাতন এবং অমানবিক ও লাঞ্ছনাকর ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইন করার সনদে বাংলাদেশ সই করে ১৯৯৮ সালের ৫ অক্টোবর। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে আইনটি পাস হয়, যার মূল কথা গ্রেপ্তারের পর কোনো আসামির মৃত্যু হলে মামলা করা যাবে এবং ঘটনার দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ওপর বর্তাবে।

দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু খুব সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসহিষ্ণু আচরণ কাম্য নয়। আইনের মধ্যে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাতে দায়িত্ব পালন করে, সে জন্য সরকারকেও কড়া বার্তা দিতে হবে। পুলিশের ‘চেইন অব কমান্ডে’ বিদ্যমান ত্রুটি-বিচ্যুতি বা দুর্বলতা দূর করতে হবে। নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে ভাবার মানসিকতা বন্ধ করলেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT