1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর শততম জন্মবার্ষিকী । কেশবপুরে আনসার-ভিডিপি’র সদস্যারা স্বেচ্ছাশ্রমে দরিদ্র কৃষকেের পাকা পাট কেটে দিলেন। কেশবপুরের সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের উদ্বোধন। কেশবপুরে সমাধান এর ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। সাগরদাঁড়িতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সংবর্ধনা। বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের কোপে শ্বশুর নিহত, থানায় আত্মসমর্পণ। কেশবপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকন-এঁর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। কেশবপুরে শাহেদা-জবেদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে জার্সি বিতরণ। কেশবপুরে চারুপীঠের শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র বিতরণ।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে টানা বর্ষণে কৃষকদের মধ্যে হতাশা, খাল খননের দাবি ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৮৩ বার পঠিত

 

 

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ

 

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে লাগামহীন বর্ষণের কারণে কৃষকের স্বপ্ন সব ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। টানা দুই দিনের ভারী বৃষ্টিতে কোটচাঁদপুর ও পার্শ্ববর্তী উপজেলাতে বৃষ্টির পানিতে মাঠকে মাঠ পাকা ধান হাবুডুবু খাচ্ছে। শুধু তাই নয় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কৃষকের এখন সবজি চাষের মৌসুম যেমন পটল, সিম, বেগুন,লাউ,আলু,ভুট্রা সহ অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

 

সরেজমিনে দেখা যাই, পৌর এলাকার বলুহর বাসষ্ট্যান্ড এর ভাটার মোড়ে তিন বিঘা আমন ধান হাবুডুবু খাচ্ছে। তারপাশে রয়েছে প্রায় ছয় বিঘা জমির ওপর একটি মাছের ঘের পানিতে থইথই করছে।

 

এসময় স্থানীয় বাসিন্দা মমিনুর রহমান হিরা নামে একজনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, টানা বৃষ্টির কারনে পানি প্রায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাকা আমন ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এবং এখানে ছয় বিঘার যে মাছের ঘের রয়েছে, সেটা প্রবল বর্ষণে পানি বেড়ে যাওয়ায় আনুমানিক ক্ষতি হয়েছে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা।

 

তিনি আরও বলেন কোটচাঁদপুর পান্তা-মাঠ, পারলাট মাঠের পানি খাল-দিয়ে চলে যায় কপোতাক্ষ নদে।কিন্তু খাল দুই দিক থেকে চেপে ছোট হয়ে যাওয়ার কারনে একটু মোটা বৃষ্টি হলে এই মাঠের সমস্ত কৃষকদের অনেক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এসময় তিনি সহ আরও অনেকে পৌরসভার মেয়র সহিদুজ্জামান সেলিম এর কাছে এই খাল টা খনন করে কপোতাক্ষ নদীতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য জোর দাবি জানাই।

 

এবিষয়ে পৌরসভার মেয়র সহিদুজ্জামান সেলিম এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, এই খালটা জেলা পরিষদের খাল। তারপরও পৌরবাসীর কথা চিন্তা করে আমার পক্ষ থেকে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT