1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিলাইছড়িতে কৃষিবিয়ক প্রশিক্ষণ ও মাঠ পরিদর্শনে উপ-সচিব । শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত। কয়রায় আইওয়াশ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত । খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি’র নিরঙ্কুশ বিজয়। বিলাইছড়িতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন। নড়াইলে ট্রাকচাপায় তেল পাম্পের ম্যানেজার হত্যার ট্রাকটি বেনাপোল থেকে জব্দ । খুলনায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাইভেট কারের চারজন আহত। শ্যামনগরে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ। শ্যামনগরে ২৪ হাজার শিক্ষার্থীর পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ শুরু করেছে সুশীলন। খুলনার নুতন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত।

অসময়ের বৃষ্টিতে আনোয়ারায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৫২ বার পঠিত

শেখ আবদুল্লাহ

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনধিঃ

 

সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলায় গত দুই দিনের বৃষ্টিপাত ও বাতাসে উপজেলার শতশত বিঘা আমন ক্ষেত মাটির সাথে নুয়ে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আমন চাষিদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আগাম শীতকালীন সবজি ও আলু চাষিরা।শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি ও বাতাসে উপজেলার প্রায় শতাধিক হেক্টর জমির আমন ধান মাটিতে নুয়ে গেছে। দশ থেকে পনেরো দিন পরে যে ধান কৃষকের গোলায় উঠত কিন্তু হঠাৎ এই বৃষ্টিতে কৃষকের বুক ভরা স্বপ্ন এক নিমেশেই ভঙ্গ হয়ে গেছে। এতে এবার আমন মৌসুমে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

 

মঙ্গলবার আনোয়ারা উপজেলার চাতরী, বৈরাগ,ররুমচড়া ,বারশত, বারখাইন,রায়পুর, ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলে কয়েক হাজার কৃষকের আমন ধান ক্ষেতেই বিনষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আধা পাকা ধানের গাছ ও সবজি ক্ষেত পানিতে ডুবে আছে। অনেক কৃষক তাঁদের ফসল বাঁচাতে ক্ষেতে জমে থাকা পানির কারণে ধানের শীষ পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় গোছা বেঁধে ধানগাছ তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

চাতরী গ্রামের কৃষক আব্দুল রশিদ বলেন, আর মাত্র দশ থেকে পনেরো দিন পরই ক্ষেতের ধান পাকতে শুরু হতো। কিন্তু হঠাৎ এই বৃষ্টি ও বাতাসে আমাদের ক্ষেতের ৭০-৮০ শতাংশ জমির আমন ধানের গাছ মাটিতে হেলে পড়েছে। মুহাম্মদপুর এলাকার কৃষক জসিম উদ্দীন বলেন, কয়েকদিন পরে মাটিতে পরে যাওয়া ধান গাছ গুলোতে পোকার আক্রমণ শুরু হবে। পরে ধানের পরিবর্তে শুধু সুষ্ক চিটা পাওয়া যাবে। এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠা সম্ভব না।

একই এলাকার কৃষক বেলাল হোসেন বলেন, তিন বিঘা জমিতে আগাম ব্রি ধান লাগিয়েছি। মাঠে ধান পেকে গেছে। দু একদিন পর ঘরে তুলবো। এমন অসময়ের বৃষ্টিতে পাকা ধান শুয়ে পড়েছে। এতে ধান তুলতে পারলেও সেসব ধানের গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাবে। এই কৃষক বলেন সার ও কীটনাশক সহ বিঘা প্রতি এবার খরচ হয়েছে ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকা। এখন লোকসান হবে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার মত।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমজান আলী বলেন, দু’দিনের বৃষ্টিতে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT