1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুর প্রেসক্লাবে আগামী বার্ষিক সাঃ সভা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত। সুন্দরবনে কোবাদক স্টেশনের অভিযানে ১৭০ কেজি কাঁকড়া সহ ৪ নৌকা জব্দ। কেশবপুরে (অসকস)-এর মাসিক সভা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। কয়রায় কলেজ ভবনের ছাঁদ ধ্বসে পড়ায় আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী। কয়রায় কলেজ ভবনের ছাঁদ ধ্বসে পড়ায় আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী কালীগঞ্জে ইয়াবাসেবী ও বিক্রেতাসহ এক নারীসহ ছয়জনের কারাদণ্ড। বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে  কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু । পাঁজিয়া পূরবী খেলাঘর আসরের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা। শ্যামনগরে গ্রাম পুলিশ ও বাজার ব্যাবস্থাপনা সদস্যদের বর্জ্য ও স্যানিটেশন সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ। কেশবপুর এস এস,সি-৮৬ বন্ধু কল্যাণ ফোরামের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ।

মর্মস্পর্শী:মায়ের লাশ দেখতে পুলিশের গাড়িতে উঠল শিশুটি

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৩৩৫ বার পঠিত

সোনাই ডেক্স:কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে কেরোসিন ঢেলে রুমা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গৃহবধূ মারা যাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন স্বামী ও তার স্বজনরা।

রোমহর্ষক এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি দগ্ধ হয়ে আহত গৃহবধূ ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মরদেহের সুরহতাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূ রুমা আক্তার (২৬) ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজ পাড়ার মৃত ওবাইদুল হকের ছেলে ওয়াহিদ উল্লাহর স্ত্রী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পাড়ার গিয়াস উদ্দীনের মেয়ে। তিনি এক সন্তানের জননী।

নিহত রুমা আক্তারের মামা আবদুল হক বলেন, ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে রুমা আক্তারের বিয়ে হয়েছিল বছর দুয়েক আগে। বিয়েটি প্রেমের হওয়ায় মেনে নেয়নি তার পরিবার।

অনেক নির্যাতন সহ্য করে সুখের আসায় সংসার করে আসছিল রুমা। গত ২৮ জানুয়ারি ওয়াহিদুল হকের যোগসাজশে ভাই মামুনর রশিদ, মোর্শেদ ও মা তফুরা বেগম রুমা আক্তারের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়।

তার চিৎকারে এলাকার লোকজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে দ্রুত উদ্ধার করে ঈদগাঁওস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সদর হাসপাতালে পাঠান।

সেখানে ২-৩ দিন চিকিৎসা নেয়ার পর অবস্থার উন্নতি না হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সাতদিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ৫ জানুয়ারি সকালে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও বলেন, স্বামীর পক্ষের লোকজন মৃত্যুর পর রুমাকে ঘরে নিয়ে এসে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করছিল। এমন সময়ে স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধিকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিক ঈদগাঁও পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শাহাজ উদ্দীন ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরহাতাল রিপোর্ট তৈরি করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠান। পুড়িয়ে দেয়া মায়ের লাশ নিয়ে যাওয়ার সময় মাকে দেখতে পুলিশের গাড়িতে উঠে পড়ে তার ছোট শিশুটি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গৃহবধূর মরদেহের সুরহতাল রিপোর্ট তৈরি করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত রুমার স্বজনদের মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT