1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে পিএফজি ও ওয়াইপিএজির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রংপুরে দর্শনা স্পোটিং ক্লাবের ফুট বল ম্যাচ ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। কয়রায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের সংঘর্ষে ১জনের মৃত্যু, বিচারের দাবীতে মানববন্ধন। উপপরিচালক (প্রশাসন), কেশবপুরের কৃতি সন্তান মোঃ রেজাউল করিম আর নেই। পীরগাছায় দীর্ঘ ৩০ বছরের চলাচল রাস্তা বন্ধ করে গাছ লাগানোর অভিযোগ। কয়রায় হরিণের মাস মাথা-পাসহ চামড়া জব্দ। কালীগঞ্জে ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাঁশের খুঁটি স্থাপনের অভিযোগ। কেশবপুরে সাংবাদিক রাজিব চৌধুরীর স্ত্রী সুচিত্রা মালাকর এর পরলোকগমন। খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শণ। শ্যামনগরের দ্বীপ ইউপি গাবুরায় মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ।

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতায় প্রাণহানি ৩৯: মানুষ হত্যার নির্বাচন ‘ভয়ঙ্কর ও মর্মান্তিক’ ………আ স ম রব।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৮৭ বার পঠিত

নিউজ প্রতিবেদক।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপ পর্যন্ত ৩৯ জন নাগরিক হত্যায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অতিসত্বর মানুষ হত্যার ‘ভয়ঙ্কর ও মর্মান্তিক’ ‘নির্বাচন’ বন্ধ করার দাবি জানিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব গণমাধ্যমে নিম্নোক্ত বিবৃতি দিয়েছেন।

 

বিবৃতিতে তিনি বলেন ‘জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত না করে নির্বাচনী নাটকের নামে নির্বাচনী সহিংসতায় ৩৯ জনের প্রাণহানি প্রজাতন্ত্রের জন্য খুবই’ ভয়ংকর ও মর্মান্তিক’। এসবই শাসকদলের অন্তঃকোন্দল ও গণতন্ত্র বিহীন হিংস্র রাজনীতির কুফল।

 

প্রতিজন নাগরিক হত্যার দায় সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে।

নাগরিকের জীবন সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। নির্বাচনী প্রহসনে দিনের পর দিন প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হত্যার পরও সরকার এবং ইসি তথাকথিত ‘উৎসবমুখর’ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে বলে আত্মতৃপ্তি ঘোষণা করবে তা কোনক্রমেই গ্রহণীয় হতে পারে না। নাগরিক সুরক্ষায় সরকারের ব্যর্থতা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।

 

ভোট কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই, সংঘর্ষ, গুলি, ককটেল বিস্ফোরণ, বিদ্রোহী প্রার্থীদের নমিনেশন সাবমিট করতে না দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশ চরমভাবে ধ্বংস হওয়ার পরও সরকার দলীয় প্রার্থীদের বিজয় দেখানের জন্য ‘নির্বাচনী আয়োজন’ জাতির কাছে তামাশায় পরিণত হয়েছে। প্রতিটি নির্বাচন রক্তের হলি খেলায় রূপান্তর লাভ করছে কিন্তু সরকার কোন দায় দায়িত্ব গ্রহণ করছে না। প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হত্যা বা নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় অরাজকতা ও সংঘাত এবং জিঘাংসার সংস্কৃতি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সরকারকে অতিসত্বর মানুষ হত্যা এবং ভোটারবিহীন নির্বাচনের নাটক বন্ধ করতে হবে। সর্বাগ্রে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেই সকল নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।’

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT