1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাঁজিয়া ইউনিয়নে অবহেলিত রাস্তাটির উন্নয়ন, স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর। ৭ বছর আগে কেনা জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা, তদন্তে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ মেলেনি। কয়রায় ৩০ কেজি ওজনের সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার, অতপর নদীতে অবমুক্ত । ঘোগা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদে আলোচনায় জাহাঙ্গীর আলম। বিলাইছড়িতে আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনে ইউএনও মো. জাকির হোসেন । শ্যামনগর ও কয়রার যাতায়াতের গোবরা হার্বোরিং ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এ আই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে যশোরে কর্মবিরতি। কেশবপুরে সদ্য খনন করা নদীর পাড় ধসে পড়ায় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ। টানা বর্ষণে ফারুয়া ইউনিয়ন প্লাবিত। কেশবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত দুই নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার।

ক্লীনসিটি’র বদলে সিলেট এখন ডিজিটাল ‘বাঁশসিটি।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শনিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৩৫ বার পঠিত

এম এ রশীদ সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো চীফ ::

সিলেট নগরী এখন বাঁশের নগরী। সিটি কর্তৃপক্ষ যখন সিলেট নগরীকে ক্লীনসিটি, গ্রীণসিটি ও ডিজিটেল সিটি বলে ঘোষনা করছেন এবং এ লক্ষ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে যাচ্ছেন, ঠিক সে সময়ই রাস্তায় রাস্তায় বাঁশ পাতিয়ে সিলেটকে বাঁশেসিটি’তে পরিনত করা হয়েছে। ফলে নগরবাসীসহ দেশী-বিদেশী পর্যটকদের চরম দৃষ্টিকটু লাগছে এ নগরী। নাম পরিচয় না করে এক পর্যটক বলেন, সিলেটকে ডিজিটাল ক্লীনসিটি শোনে এসে দেখি এটাতো ডিজিটাল বাঁশসিটি। প্রতিটি পয়েন্টে দেখি বাঁশ আর বাঁশ। যানবাহন চলাচলে নির্মিত রাস্তা কাঠামো ও পাকা ডিভাইডার যদি যথেষ্ট না হয় না হলে পাকা করে ডিভাইডার দিতে পারেন বা সম্প্রসারন করতে পারেন। এটা না করে গ্রাম থেকে আইকা বাঁশ এনে যদি ডিভাইডার দিতে হয় তা হলে এটা আবার ক্লীনসিটি,গ্রীণসিটি ও ডিজিটাল সিটি হয় কেমন করে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সিলেট নগর উন্নয়ন ও নগর প্রশাসন সিসিক’র বলে দাবি করা হলেও নগরের উন্নয়নে হস্তক্ষেপ রয়েছে এসএমপি পুলিশের। পুলিশ যখন ইচ্ছা করে তখনই রাস্তায় বাঁশ পাতার করে দিতে পারে। অথচ সিলেট সিটির বিদ্যমান অবকাঠামোর পবির্তন না করেই যানবাহন নিয়ন্ত্রন পুলিশের দায়িত্ব। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সুন্দরকে অসুন্দর এবং বাশঁ পাতিয়ে দৃশ্যত অবকাঠামোর পরিবর্তন ঘটাচ্ছে পুলিশ। এতে করে পর্যটন নগরী সিলেটকে জিজিটাল বাঁশনগরী’তে রূপান্তরিত করা হয়েছে। নগরের সিটি পয়েন্ট,বন্দর পয়েন্ট চৌহাট্টা, লামাবাজার, আলিয়া মাদ্রাসা, সুবিদবাজার, মদিনা মার্কেট থেকে নিয়ে শুরু করে এমন কোন পয়েন্ট নেই, যেখানে আঁইকাবাঁশ পাতার করা হয়নি। সচেতন নাগরিকসহ যানবাহন চালকদের অভিযোগ, এসএমপির ট্রাফিক পুলিশ যানবাহন নিয়ন্ত্রন নামে সিএনজি অটোরিক্সায় যাত্রী কমিয়ে ভাড়া বৃদ্ধির পাশপাশি নগরে যানবাহন দ্বিগুন করে দিয়েছে। আর এই যানবাহন থেকে অবৈধ ফায়দা হাসিল করার নিমিত্তেই ট্রাফিক পুলিশ নগরীকে বাঁশের নগরীতে পরিনত করেছে। সিলেট ছাড়া দেশের অন্য কোনো সিটিতে যানবাহণ নিয়ন্ত্রন নামে বাঁশ পাতানোর কোনো নজির আছে কি না তা জানতে চায় নগরবাসী। যানবাহন নিয়ন্ত্রনের প্রয়োজনে বর্তমান অবকাঠামো পরিবর্তন পরিবর্ধন করতে হলে তা পাকা করণের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন করে করা আবম্যক বলে নগরের সচেতন নাগরিকরা মনে করেন। এ বিষয়ে জানতে গতকাল রাত পৌণে ৯টায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সেলফোনে বারবার কল করলে তিনি এ প্রতিবেদকের মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি। তবে সিসিক’র প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান জানান, যানজট নিরসনে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে আরো ডিভাইডার নির্মান ও সম্প্রসারন প্রয়োজন। এর জন্য পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে বাঁশ পাতানো দৃষ্টিকটু একথা স্বীকার করে প্রকৌলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, এটা এসএমপির ট্রাফিক পুলিশই তাদের ইচ্ছেমতে করেছে। এতে আমাদের (সিসিকের) কোন অনুমতি নেয়নি বা আমাদেরকে অবহিত করেনি। কি কারনে ও কি প্রয়োজনে ট্রাফিক বাঁশ পাতার করে ডিভাইডার দিয়েছে, সেটা এসএমপির ট্রাফিক ডিসিই বলতে পারেন। এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে গতকাল রাতে (৯.৪৬) এসএমপি’র ডিসি (ট্রাফিক) ফয়সাল মাহমূদের সাথে মুঠোফেনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT