1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিপিএল সিজন ৫ এর ২৪ তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে সাদিপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ। বিলাইছড়িতে সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন। কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর শততম জন্মবার্ষিকী । কেশবপুরে আনসার-ভিডিপি’র সদস্যারা স্বেচ্ছাশ্রমে দরিদ্র কৃষকেের পাকা পাট কেটে দিলেন। কেশবপুরের সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের উদ্বোধন। কেশবপুরে সমাধান এর ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। সাগরদাঁড়িতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সংবর্ধনা। বিলাইছড়িতে আশিকার অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের কোপে শ্বশুর নিহত, থানায় আত্মসমর্পণ।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া’য় আনারস চাষ লাভজনক হওয়ায় চাষীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৭১ বার পঠিত

শামীম তালুকদার, ময়মনসিংহ ।

চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলন ও মূল্য ভালো পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আনারস চাষীরা। জেলায় বিশেষ করে ফুলবাড়িয়া ‘য় আনারস চাষীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আনারস চাষীরাও লাভবান হচ্ছেন ;ফলশ্রুতিতে চাষও বেড়ে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া’র রাঙ্গামাটিয়া,সন্তোষপ­ুর ও কৃষ্টপুর মৌজায় ১হাজার ৬৭৬ হেক্টর জমিতে চলতি মৌসুমে আনারস চাষ করা হয়। রাঙ্গামাটিয়া মৌজার চাষী মেঘা চলতি মৌসুমে দু’টি বাগানে ১০ একর জমিতে আনারসের আবাদ করেছিলেন। আবাদকৃত আনারস বাগান হতে এ পর্যন্ত ১লাখ আনারস বিক্রি করেছেন। গড়ে ২৭টাকা করে তিনি প্রতি পিস আনারস পাইকারি মূল্যে বাগান থেকে বিক্রি করে পেয়েছেন ২৭লক্ষ টাকা। তার খরচ হয়েছিল প্রতি আনারস বাবদ গড়ে ১০ টাকা। সেই হিসেবে চাষী মেঘা’র খরচ বাদে লাভ হয়েছে ১৭ লক্ষ টাকা। আনারস চাষী মেঘা জানান,কার্তিক -অগ্রহায়ণ মাসে বাগানে আনারসের চারা রোপণ করতে হয়। ১বছর পর ফলন আসতে থাকে এবং দেড় বছর পরে বাগানের সব আনারস বিক্রি করা হয়ে থাকে। এই দেড় বছরে ৩ধাপে বাগানে সার প্রয়োগ করতে হয়।ইউরিয়া, পটাশ, টিএসপি,জৈব সারও জিপসাম প্রয়োগ করতে হয়। চারা রোপণ থেকে শুরু করে ফলন আসার পূর্ব পর্যন্ত প্রতিটি আনারস উৎপাদনে গড়ে ১০টাকা খরচ পড়ে। খরচ বাদে লাভ ভালোই থাকে।তিনি আরো জানান, বর্তমানে তার বাগানে ২লাখ চারা রোপণ করা আছে। আনারসও আসতে শুরু করেছে। আগামী পৌষ মাস থেকে আনারস বিক্রি করা যাবে।তিনি বললেন এবার ফলনও ভালো হবে। বর্তমানে বাগানে যেভাবে ফলন এসেছে তাতে খরচ বাদে ৩৫ থেকে ৪০লক্ষ টাকা লাভ হওয়ার আশা করছেন তিনি।

আনারস চাষ লাভজনক হওয়ায় বর্তমানে ফুলবাড়িয়া উপজেলায় প্রায় ৭থেকে ৮হাজার চাষী আনারস চাষ করছেন।সন্তোষপুর এলাকার চাষী মকবুল হোসেন জানান,লাভজনক হওয়ায় এই এলাকায় চাষীরা দিন দিন আনারস চাষে উৎসাহী হয়ে উঠছেন। গত বার আনারস চাষে তিনি ২লক্ষ টাকা লাভ করেছিলেন। ভালো দাম পাওয়ায় এবং লাভ হওয়ায় এবার তিনি বাগানের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছেন। ফলন ভালো এবং ভালো দামে আনারস বিক্রি করতে পারলে খরচ বাদে আগামীতে ৫লক্ষ টাকা লাভ হবে বলে আশাবাদী চাষী মকবুল। রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর ডিক্রীভূমির চাষী মেঘা বলেন,’ফুলবাড়িয়া ‘র আনারস খুবই সুস্বাদু। তাই আনারস সুস্বাদু হওয়ায় দিন দিন তা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।’ ফুলবাড়িয়া ‘র আনারস ময়মনসিংহ জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার চাহিদা মেটায়।

ময়মনসিংহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খামারবাড়ির উপ -পরিচালক কৃষিবিদ মতিউজ্জামান বলেন,’ফলন ভালো ও দাম বেশী পাওয়ায় এই এলাকার চাষীরা আনারস চাষে দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন। ‘

তিনি আরো জানান,ফুলবাড়িয়া ‘র আনারস চাষীরা সম্পূর্ণ কীটনাশক মুক্ত আনারস চাষ করছেন।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT