1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মোমবাতি জ্বেলে কালরাতের শহীদদের স্মরণ। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংবাদিক শ্রী মিশুক চন্দ্র ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। বিলাইছড়িতে গণহত্যা দিবস পালিত। নিধুরাম ভুঁইয়া বাড়িতে সার্বজনীন বাসন্তী পুজো ও বসন্ত উৎসব ২০২৬ নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কয়রায় যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালন।  বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু, জমা লাখ টাকা বাধ্যতামূলক। স্ত্রীকে নদীতে ফেলে হত্যা চেষ্টা, স্বামী আটক। খুলনায় ২৫ মার্চ গনহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা। বাগেরহাট কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ কুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহন ।

সাপাহারে বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৬৫ বার পঠিত

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর সাপাহারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে (২৮) ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই নারী ৩ জানুয়ারী সোমবার নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০২ এ মামলা করেন।

মামলায় নিশ্চিতপুর থ্রী-স্টার ফিলিংস্টেশনের স্বত্বাধিকারী মিলনসহ দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি হলেন উপজেলার নিশ্চিতপুর থ্রী-স্টার ফিলিংস্টেশনের স্বত্বাধিকারী ও মাইপুর গ্রামের মৃত ইসাহাক আলীর ছেলে মোঃ মিলন (২২)। অন্য দুই আসামি হলেন একই গ্রামের মৃত হাজী কুদ্দুস মন্ডলের ছেলে মোঃ রেজাউল (৩৬) ও মৃত তমিজ উদ্দীন মন্ডলের ছেলে মো. বারীক (৪৬)। ওই নারীর বাড়ি নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়।

আদালতে দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধান আসামি মিলন ওই নারীকে বিভিন্ন সময়ে চলার পথে বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দিতো। ওই নারী প্রধান আসামি মিলনের কু-প্রস্তাবে সাড়া না দিলে ১ নং আসামি ২ ও ৩ নং আসামির কু-পরামর্শে ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। অতঃপর ২ ও ৩ নং আসামি ওই নারীকে প্রধান আসামি মিলনের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। একপর্যায়ে ওই নারী মিলনের সাথে বিয়ের প্রস্তাবে রাজী হলে ২০২১ সালের ১১ জুন শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে মিলন, রেজাউল ও বারীক একজন অপরিচিত বয়স্ক ব্যকক্তিকে মৌলভী পরিচয়ে ওই নারীর বসতবাড়ীতে নিয়ে যায়। এসময় দোয়া পড়ে রেজাউল ও বারীককে স্বাক্ষী দেখিয়ে ওই নারীর সাথে মিলনের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ওই নারীর কাছে এভাবে বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে ওই রাতে তার বাড়ীতে শারীরিক ও দৈহিক মেলামেশা করেন মামলার প্রধান আসামি মিলন। এরপর বিভিন্ন সময়ে ওই নারীর বসত বাড়ীতে এবং নজিপুরে একটি ভাড়া বাসায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে মিলন। পরবর্তীতে ওই নারী বিয়ে রেজিষ্ট্রি করার জন্য মিলনকে তাগিদ দিলে আজ কাল বলে তালবাহানা করতে থাকে মিলন। অতঃপর ওই নারী গর্ভবতী হলে মামলার প্রধান আসামী মিলন মৌলভী দ্বারা বিবাহের বিষয়টি অস্বীকার করে এবং ওই নারীর গর্ভের সন্তান তার নয় বলে জানিয়ে দেয়। উক্ত কথা শুনে ওই নারী হতভম্ব ও দিশেহারা হয়ে পড়েন। প্রধান আসামি বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে ওই নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। যার ফলে মামলার বাদীনি গর্ভবতী হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য প্রধান আসামি মিলনের খোঁজ করতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট এস এম মর্তুজা মাহাতাব উদ্দীন জানান, মামলাটি গ্রহণ করে পি,বি,আই কে তদন্ত করে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT