1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাঙ্গামাট জেলা পরিষদের নেতৃত্বে এম এ সালাম ফকিরকে চায় জনগণ । বিলাইছড়িতে মোটর সাইকেল মালিক সমিতির সিরিয়াল ও আইনশৃঙ্খলা  সভা । খুবি শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় খুবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ। খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় অন্তত ৭৯ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন। খুবির আইন ডিসিপ্লিনের ছাত্রী মৌমিতা হালদারের মৃত্যুতে উপাচার্যের গভীর শোক প্রকাশ। চুয়াডাঙ্গায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক -২। শিববাড়ি মোড়ে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডে। বিলাইছড়িতে কৃষিবিয়ক প্রশিক্ষণ ও মাঠ পরিদর্শনে উপ-সচিব । শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত। কয়রায় আইওয়াশ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত ।

শ্যামনগরে ১৯ নভেম্বর হানাদার মুক্ত দিবস ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৮৫ বার পঠিত

 

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ

১৯ নভেম্বর সাতক্ষীরার শ্যামনগর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ১৯ নভেম্বর শ্যামনগরে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করার মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম যুদ্ধে মুক্ত অঞ্চল হওয়ার গৌরবান্বিত হয় শ্যামনগরবাসি।

বাংলাদেশের সর্বদেিণ সাতীরা জেলার সর্বশেষ সুন্দরবন সংলগ্ন উপজেলা শ্যামনগরে ১৯৭১ সালের ১৯ আগষ্ট পাক বাহিনীর অর্তকিত আক্রমনে প্রাণ হারায় ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে সুবেদার ইলিয়াস, আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ। এ দিনে আরো কয়েক জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারায়। আকষ্মিক এ আক্রমণের বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেনি। গেরিলা যুদ্ধের কেীশল হিসেবে মুক্তিযোদ্ধারা লে. মাহফুজ বেগের নেতৃত্বে শ্যামনগর সদর থেকে ক্যাম্প পিছিয়ে নেয়। আর এ দিন থেকে পাক বাহিনী স্থায়ীভাবে ঘাটি গাড়ে শ্যামনগরে। এ সময় থেকে টানা ৩ মাস পাকবাহিনী শ্যামনগর দখলে রাখে এবং এ সময়ে তাদের হাতে প্রাণ হারায় কয়েক জন নিরীহ বাঙালী।

শ্যামনগরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা গাজী আবুল হোসেন জানান, টানা তিন মাসে পাক বাহিনী শ্যামনগর সদরে ৫/৬ বার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে। তৎমধ্যে শ্যামনগর পাক হানাদার ঘাটিতে এক দিনে চারিদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধারা এমবুশ করে এবং টানা ৩ ঘন্টা যুদ্ধের পর পাক সেনা ৪ জন নিহত হয়। এ সময়ের মধ্যে শ্যামনগরের কৈখালী, ভেটখালী, হরিনগর, রামজীবনপুর, গোপালপুর পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ হয়। জানা যায় কৈখালী ও হরিনগর এলাকায় নৌকমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা বাহিনী যৌথভাবে টানা তিন ঘন্টা ভয়াবহ যুদ্ধে অংশ নেয়।

শ্যামনগর বিভিন্ন এলাকায় পাকবাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে ও ১৮ নভেম্বর রাতের আঁধারে শ্যামনগর ত্যাগ করে। পর পরই মুক্তিযোদ্ধারা এসে শ্যামনগর দখল নেয়। এরপর স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয়।

দিবসটি উপলে ১৯ নভেম্বর শুক্রবার সকালে শ্যামনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড আলোচনাসভা, দোয়া অনুষ্ঠান সহ অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার দেবী রঞ্জন মন্ডল বলেন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হল রুমে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি এস এম জগলুল হায়দার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম আবুজর গিফারী। আরও জানা যায়, দিবসটি উপলক্ষ্যে, মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ লাঠি খেলা, বাদ্য-বাজনার আয়োজন সহ অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

 

ছবি- শ্যামনগরে পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে সুসজ্জিত গেট।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT