1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে পিএফজি ও ওয়াইপিএজির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রংপুরে দর্শনা স্পোটিং ক্লাবের ফুট বল ম্যাচ ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। কয়রায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের সংঘর্ষে ১জনের মৃত্যু, বিচারের দাবীতে মানববন্ধন। উপপরিচালক (প্রশাসন), কেশবপুরের কৃতি সন্তান মোঃ রেজাউল করিম আর নেই। পীরগাছায় দীর্ঘ ৩০ বছরের চলাচল রাস্তা বন্ধ করে গাছ লাগানোর অভিযোগ। কয়রায় হরিণের মাস মাথা-পাসহ চামড়া জব্দ। কালীগঞ্জে ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাঁশের খুঁটি স্থাপনের অভিযোগ। কেশবপুরে সাংবাদিক রাজিব চৌধুরীর স্ত্রী সুচিত্রা মালাকর এর পরলোকগমন। খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শণ। শ্যামনগরের দ্বীপ ইউপি গাবুরায় মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ।

লালমনিরহাটের কৃষকেরা রোপা আমন ধান কাটতে শুরু করেছে; দাম নিয়ে বরাবরের মতো হতাশ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৪৩ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

অনেক প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে লালমনিরহাটের কৃষকেরা রোপা আমন ধানের পরিচর্যা শেষে এখন তা ঘরে তুলতে ব্যস্ত। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না থাকলে, লাভজনক এ ফসল ঘরে তোলার অপেক্ষা শেষ হবে খুব দ্রুতই। তবে নায্য মূল্য নিয়ে বরাবরের মত এবারেও হতাশ আমন চাষিরা।

 

বন্যা, অনাবৃষ্টি, মহামারী করোনা ভাইরাসের মতো সব দুর্যোগ মোকাবেলা করে লালমনিরহাটের কৃষকরা ফলিয়েছে লাভজনক ফসল রোপা আমন।

 

প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকলে সময় মতো ফসল ঘরে তোলার আশায় বুক বাঁধা কৃষকরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কাটতে ব্যস্ত। গৃহস্থ বাড়ির নারী সদস্যরা ও শিশুরাও মনের আনন্দে সময় দিচ্ছে ক্ষেতে।

কৃষকদের কাছে রোপা আমনের চাষ সবচেয়ে লাভজনক একটি ফসল। কিন্তু কৃষকরা বলছে সময়মত বৃষ্টি না হওয়ায়, এবার বিপাকে পরতে হয়েছিলো অনেক চাষিকেই। লাভজনক এ ফসল ফলাতে সেচের পানি দিয়ে ধান চাষে বাড়তি খরচতো হয়েছেই পাশাপাশি অন্যান্য খরচও বেড়েই চলেছে ক্রমান্বয়ে।

 

তবে বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা না করে ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিন দিয়েই সেচের পানি সংগ্রহ করছিলেন এবারের আমন চাষিরা।

 

চলতি মৌসুমে রোপা আমনের বীজতলা বপনের সময় বৃষ্টিপাত পর্যাপ্ত না হওয়ায় অনেক কৃষকের রোপা আমনের চারা নষ্ট হয়েছে এবার। হার না মানা কৃষকেরা বাজার থেকে টাকা দিয়ে পুনঃরায় বীজতলা সংগ্রহ করে।

 

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এ বছর এ জেলায় ৮৫হাজার ৫শত ১৫হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার ৮শত ৩৫হেক্টর জমি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

 

এদিকে লক্ষ মাত্রা অর্জন হলেও, জেলায় ৪দফা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫টি উপজেলার নদী তীরবর্তী অঞ্চলের কৃষকরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের লোকসান পুষিয়ে নিতে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছে লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ- পরিচালক শামীম আশরাফ। তিনি বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চরাঞ্চলের কৃষকেরা শীতকালীন সবজি ও আগাম ভুট্টা চাষ করে ক্ষতি পুষিয়ে নেবেন।

 

আর সরকার, জীবন যুদ্ধে হার না মানা প্রত্যন্ত পল্লীর কৃষকদের ফলানো, রোপা আমনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে কৃষকদের সহায়তা করবে এমন প্রত্যাশা সবার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT