1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

মণিরামপুরে নাতনিকে উত্যক্তের প্রতিবাদ  করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত

মণিরামপুর প্রতিনিধি:

 মণিরামপুরে স্কুল পড়ুয়া নাতনিকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটেদের বিরুদ্ধে নানা এনামুল হোসেনকে উপুর্যপুরি কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের সরনপুরে নৃশংসতম এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত এনামুল হোসেন ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসাতপুর গ্রামের আব্দুর রহিম সরদারের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রেশমা খাতুন মনিরামপুর থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ মামলা করেন। মনিরামপুর থানা পুলিশ ওই রাতেই সাড়াশি অভিযান চালিয়ে হোসাইন নামে এক হত্যাকারীকে আটক করে। হোসাইন আহমেদ ঝিকারগাছা উপজেলার ফারাসাতপুর গ্রামের ইমামুল ইসলামের ছেলে।পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর মঙ্গলবার যশোর ২৫০ জেনারেল হাসপাতালের মর্গ থেকে ময়না তদন্ত সম্পন্ন করিয়েছেন। 

পুলিশ ও এলাকাবাসী জনায়, নিহত এনামুল হোসেন পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। মনিরামপুর উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের সরনপুর বাজারের পাশে খালের ওপার ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসাতপুর গ্রামে এনামুল হোসেন বাড়ি। নানা বাড়িতে থেকে নাতনি সুমাইয়া খাতুন ঝিকরগাছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের লেখাপড়া করত। সে নবম শ্রেণির  ছাত্রী।

এলাকাবাসীসহ নিহতের পরিবার থেকে অভিযোগ করা হয় প্রতিবেশী মফিজুর রহমানের বখাটে ছেলে রাব্বি হোসেন প্রায়ই সুমাইয়াকে উত্যক্ত করত। বিয়ষটি সুমাইয়া তার নানাসহ পরিবারকে জানায়। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে সম্প্রতি ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে রাব্বি সুমাইয়ার নানা এনামুলকে হত্যার হুমকি দেয়। 

সোমবার রাত নয়টার দিকে এনামুল হোসেন পাশর্^বর্তি মণিরামপুরের সরনপুর বাজার থেকে হেটে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে সরনপুরের বাঁশতলা মোড়ে পৌছুলে রাব্বির নেতৃত্বে তার বন্ধু হোসাইনসহ ১০-১১ জন যুবক লাটিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতভাবে এনামুল হোসেন ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারপিটের পর উপুর্যপুরি কুপিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধারের পর প্রথমে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য নিয়ে যান। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়াই উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে  যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকৎসকরা এনামুলকে মৃত ঘোষনা করেন। 

এ দিকে খবর পেয়ে ওই রাতেই মণিরামপুর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার এমদাদুল হক, ওসি আবু সাঈদসহ ডিবি পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরির্দশন করে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে হোসাইন, আশরাফুল, হাবিবুর, আজিজুর সহপাঁচজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ দিকে মঙ্গলবার সকালে নিহত এনামুলের স্ত্রী রেশমা খাতুন বাদি হয়ে রাব্বি, হোসাইনসহ মোট ১১ জনের নাম উল্লেখসহ একটি হত্যা মামলা করেন।  মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মামলার সত্যতা স্বীকার করে জানান, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডে হোসাইনের সম্পৃক্ত থাকার সত্যতা পাওয়া যায়। ফলে বাকী চারজন নিরাপরাধ হওয়ায় তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মামলার প্রধান আসামি রাব্বিকে পুলিশ এখনও আটক করতে পারেনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT