1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভেড়ামারায় শ্রী শ্রী রঘুনাথ জিউর মন্দিরে উৎসবমুখর পরিবেশে শুভ রথযাত্রা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে ভুয়া ইনকাম ট্যাক্স কর্মকর্ত আটক। কেশবপুরে জুলাই শহিদ দিবস পালিত। বিলাইছড়িতে নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে  বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ। কেশবপুর দলিল লেখক আবু সাইদের অকাল প্রয়াণে এলাকায় শোকের ছায়া। বিলাইছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত্রদের মাঝে ত্রাণ  দিল উপজেলা বিএনপি। বিলাইছড়িতে জুলাই শহীদ দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি’র মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। শ্যামনগরে মহাসমারোহে পালিত হলো জগন্নাথ দেবের শুভ রথযাত্রা।

বেহাল দশা স্বাস্থ্যসেবা

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৮
  • ৩০৫ বার পঠিত

স্বাস্থ্যসেবা যখন একটি লাভজনক বাণিজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে তখন সরকারি পর্যায়ে এর মান দিন দিন নিচের দিকে নামছে। সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টার অন্ত নেই। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হলেও শুধু মানসিকতার অভাবে অনেক স্থানে কাক্সিক্ষত সেবা পাচ্ছে না মানুষ। ফলে তাদের যেতে হচ্ছে কোনো না কোনো বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে, যেখানে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন সরকারি চিকিৎসকরাই। বৃহস্পতিবার তেমনই কিছু খবর প্রকাশিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২ বছর আগে আনা এক্স-রে মেশিনটি এখন পর্যন্ত চালু করা হয়নি। ফলে সেবা পাচ্ছে না এলাকাবাসী। পাবনার চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক মাত্র দুজন। অথচ সেখানে প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনে অপারেশন থিয়েটার থাকলেও সেখানে কোনো কাজ হয় না। সার্জারি মেশিনগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এক্স-রে মেশিনও অকেজো। একই অবস্থা ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। সেখানেও নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সরঞ্জাম। চিকিৎসক না থাকায় সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেন একজন ব্রাদার। বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা সদরে সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২০ শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতাল এখনো চালু হয়নি। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার ৩১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও তিন বছরে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে এ হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স ও এক্স-রে সেবা। দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে পাঁচ চিকিৎসকের পদ। ফলে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে রোগীদের।

একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব জায়গায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছে সহজ-সরল মানুষ। শুধু ভোলাতেই লাইসেন্সবিহীন ১৭ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে। এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করছে অদক্ষ কর্মীরা। নেই প্রশিক্ষিত ও পূর্ণকালীন কোনো চিকিৎসক কিংবা নার্স।

গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে সেখানে আধুনিক হাসপাতাল যেমন প্রয়োজন, তেমনি মানসম্পন্ন চিকিৎসকও দিতে হবে। আমাদের দেশের চিকিৎসকদের শুরু থেকেই রাজধানী বা শহরে থাকার প্রবণতা রয়েছে।

এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে নতুন নতুন মেডিক্যাল কলেজ করে কোনো লাভ হবে না। চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে গ্রামাঞ্চলে কাজ করতে হবে। তদারকির মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT