1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাঁজিয়া ইউনিয়নে অবহেলিত রাস্তাটির উন্নয়ন, স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর। ৭ বছর আগে কেনা জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা, তদন্তে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ মেলেনি। কয়রায় ৩০ কেজি ওজনের সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার, অতপর নদীতে অবমুক্ত । ঘোগা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদে আলোচনায় জাহাঙ্গীর আলম। বিলাইছড়িতে আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনে ইউএনও মো. জাকির হোসেন । শ্যামনগর ও কয়রার যাতায়াতের গোবরা হার্বোরিং ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এ আই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে যশোরে কর্মবিরতি। কেশবপুরে সদ্য খনন করা নদীর পাড় ধসে পড়ায় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ। টানা বর্ষণে ফারুয়া ইউনিয়ন প্লাবিত। কেশবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত দুই নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার।

নওগাঁর ধামইরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৫৮ জন শিক্ষকের পদ শুন্য।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
  • ২১৩ বার পঠিত

 

 

সন্তোষ কুমার সাহা, ধামইরহাট (নওগাঁ), প্রতিনিধিঃ-

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৫৮ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এরমধ্যে প্রধানশিক্ষক ২২ জন এবং সহকারী শিক্ষকের পদে ৩৬ জন শূন্য রয়েছে। এমনিভাবে পদ শূন্য থাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে,ধামইরহাট উপজেলায় সর্বমোট ১১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তারমধ্যে বিদ্যালয় গুলোতে বর্তমানে কর্মরত প্রধান শিক্ষক হিসেবে রয়েছে ৯০ জন এবং সহকারী শিক্ষক পদে রয়েছে ৪৯৮ জন।

 

এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের ৫৮জনের পদ শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য থাকায় বর্তমানে দায়ীত্ব পালনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা বিপাকে পরেছেন। ফলে তাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের সঠিক পাঠদানসহ দাপ্তরিক কাজ অনেকটা বিঘ্নিত হচ্ছে।

অভিভাবকরা জানান, শিক্ষক পদ শূন্য থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করায় শিক্ষকরা শ্রেনিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সঠিক মনোনিবেশ তৈরী করতে পারছেন না। ইতিমধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও তা করোনার কারণে বন্ধ রয়েছে। দ্রæত নিয়োগ পরীক্ষা দেয়া হলে শিক্ষক সংকট এবং নতুন কর্মসংস্থান হবে বলেও আশা করেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারি শিক্ষক জানান, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একজন করে প্রধান শিক্ষক থাকেন। আর প্রধান শিক্ষকের পদ যদি শূন্য থাকে তাহলে প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা থাকেনা। সবাই নিজের মত করে চলতে চেষ্টা করেন। সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হলে তখন তিনি দাপ্তরিক কাজে ব্যাস্থ হয়ে পড়েন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজমল হোসেন জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদ শূন্য থাকায় বর্তমানে পাঠদানে তেমন কোন অসুবিধা হচ্ছে না। তবে নিয়োগ পক্রিয়ার মাধ্যমে শূন্য পদগুলোতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ হলে শিক্ষার্থীদের সুবিধা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT