1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাঁজিয়া ইউনিয়নে অবহেলিত রাস্তাটির উন্নয়ন, স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর। ৭ বছর আগে কেনা জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা, তদন্তে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ মেলেনি। কয়রায় ৩০ কেজি ওজনের সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার, অতপর নদীতে অবমুক্ত । ঘোগা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদে আলোচনায় জাহাঙ্গীর আলম। বিলাইছড়িতে আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনে ইউএনও মো. জাকির হোসেন । শ্যামনগর ও কয়রার যাতায়াতের গোবরা হার্বোরিং ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এ আই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে যশোরে কর্মবিরতি। কেশবপুরে সদ্য খনন করা নদীর পাড় ধসে পড়ায় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ। টানা বর্ষণে ফারুয়া ইউনিয়ন প্লাবিত। কেশবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত দুই নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার।

ধর্মপাশায় ৭ মাসেও পায়নি ফসল রক্ষা বাঁধের চুড়ান্ত বিল।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১
  • ২১৫ বার পঠিত

এম এম এ রেজা পহেল, ধর্মপাশা( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।

 

 

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনে হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতকাজ শেষ করার ৭ মাস পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দকৃত চূড়ান্ত বিল পায়নি সংশ্নিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি)। বিল না পেলেও ধারদেনা করে যথা সময়ে কাজ শেষ করতে হয়েছে পিআইসি সংশ্লিষ্টদের। এতে প্রতিটি পিআইসির সদস্যরা বিপাকে পড়েছেন। পাওনাদারের ভয়ে পিআইসির অনেক সদস্য পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ২০২০-২১ অর্থ বছরে ধর্মপাশা উপজেলার আটটি হাওরে বোরো ফসল রক্ষায় বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের জন্য স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে ১৭০টি পিআইসি গঠন করা হয়। কাবিটা নীতিমালা অনুযায়ী গত বছরের ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বাঁধের কাজ শুরু করে তা এ বছরের ২৮ ফেরুয়ারির মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম ২২ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জ সফরে এসে হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করে কাজের সময়সীমা ৭ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছিলেন। আর এসব কাজে ১৭০টি প্রকল্পের বিপরীতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয় ৩৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। কাজ শেষে প্রতিটি পিআইসিকে চতুর্থ বা চূড়ান্ত বিল পরিশোধের কথা ছিল। কিন্তু কাজ শেষ করার সাত মাস পেরিয়ে গেলেও তা এখনও পরিশোধ করা হয়নি। চন্দ্রসোনারথাল হাওরের ৫৩ প্রকল্পের সভাপতি শাহ আলম বলেন, অনেক চাপের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে গিয়ে ধারদেনা করে করতে হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত বিল না পাওয়ায় সবার মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। হাওর বাঁচাও আন্দোলনের ধর্মপাশা উপজেলার সদস্য সচিব চয়ন কান্তি দাস বলেন, প্রান্তিক কৃষকদের নিয়ে গঠিত পিআইসির সদস্যদের কাছে বাঁধের কাজ করানোর মতো টাকা জমা থাকেনা। অনেকেই বিল উত্তোলন করে কাজ করে থাকেন। কিন্তু চূড়ান্ত বিল পাওয়ার জন্য পিআইসিকে কাজ শেষ করতে হয়। ফলে পিআইসিকে ধারদেনা করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরও চূড়ান্ত বিল না পাওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। এদিকে উপজেলা কাবিটা বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি ইউএনও মুনতাসির হাসান বলেন, পিআইসির চূড়ান্ত বিলের জন্য উপজেলা থেকে জেলা হয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব পাস হওয়ার পর বরাদ্দ আসলেই পিআইসিকে চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হবে। ## এম এম এ রেজা পহেল।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT